corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিক্ষা দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পড়ানো হচ্ছিল রেফারেন্স বুক ? বর্ধমানের স্কুলে বই বিতর্ক

শিক্ষা দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পড়ানো হচ্ছিল রেফারেন্স বুক ? বর্ধমানের স্কুলে বই বিতর্ক

শিক্ষা দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পড়ানো হচ্ছিল রেফারেন্স বুক! এমনই অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুলের বিরুদ্ধে

  • Share this:

# বর্ধমান: শিক্ষা দফতরকে অন্ধকারে রেখেই পড়ানো হচ্ছিল রেফারেন্স বুক! এমনই অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুলের বিরুদ্ধে। ওই স্কুলের প্রি প্রাইমারির রেফারেন্স বুকে বর্ণবৈষম্যের পাঠদান চলছিল বলে অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই শোরগোল তুলেছেন অভিভাবকরা। বর্ধমান তো বটেই, গোটা রাজ্য জুড়েই শিক্ষা মহলে এই ঘটনা আলোড়ন ফেলেছে।

জানা গিয়েছে, ওই স্কুলের প্রি প্রাথমিকে ইংরেজি 'ইউ' অক্ষরের সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করতে 'আগলি' লেখা  হয়েছে। তার বাংলা অর্থ কুৎসিত লিখে সেখানে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির মুখাবয়বের ছবি দেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, ওই বই সরকারের দেওয়া নয়। স্কুল শিক্ষা দফতরকে কিছু না জানিয়েই ওই বই পড়ানোর জন্য নির্বাচন করেছিল।

শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিকে রেফারেন্স বই পড়ানোই নিষিদ্ধ। সেখানে আলাদা করে রেফারেন্স বই নির্বাচন করে পড়ুয়াদের কিনতে বলার কোনও প্রশ্নই নেই। সরকার দুটি বই বিনামূল্যে দেয়। সেই দুটি বই-ই শুধুমাত্র পড়ানোর কথা। এক্ষেত্রে সেই নিষেধাজ্ঞাকে কোনও রকম তোয়াক্কা না করে শিক্ষা দফতরকে অন্ধকারে রেখে সেই বই প্রি-প্রাইমারিতে পড়ানোর ব্যবস্থা করে গর্হিত অপরাধ করেছে স্কুল। আগেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দফতর এ'ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে শো কজ করেছিলেন। শুক্রবার ফের প্রাথমিকের টিচার ইনচার্জকে কারণ জানাতে বলে নোটিশ দিয়েছেন জেলার  প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শক। প্রি-প্রাথমিকে এই ধরনের পাঠদানের কথা প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের  হস্তক্ষেপে ইতিমধ্যেই বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের  প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী মল্লিক ও প্রাথমিকের টিচার ইনচার্জ বর্ণালী ঘোষকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রী নিজে এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করায় তৎপরতা বাড়িয়েছে শিক্ষা দফতরও। ইতিমধ্যেই এই রেফারেন্স বুক বাতিল করা হয়েছে। কোন কোন স্কুলে এই রেফারেন্স বই পড়ানো হচ্ছিল সে ব্যাপারেও খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়েছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 12, 2020, 10:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर