Home /News /south-bengal /
‘মাথায় মুগুর দিয়ে মেরে বউ’কে খুন করে ফেলেছি’ থানায় গিয়ে বলল স্বামী!

‘মাথায় মুগুর দিয়ে মেরে বউ’কে খুন করে ফেলেছি’ থানায় গিয়ে বলল স্বামী!

প্রতীকী চিত্র ।

প্রতীকী চিত্র ।

থানায় বসে জহিরুদ্দিন বলেন, অভাবের সংসারে অশান্তি চলছিল। রাগের মাথায় মুগুর দিয়ে আঘাত করে ফেলি। তাতেই সে মারা যায়।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: সংসার চালাতে টাকা চেয়েছিল স্ত্রী। সেই টাকা না মেলায় কটূ কথা শুনিয়েছিল স্বামীকে। তার জেরে মুগুর দিয়ে মাথায় আঘাত করে স্ত্রী’কে মেরে ফেলল এক ব্যক্তি। পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার নাড়ুগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই মৃতার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মৃত মহিলার নাম আলেয়া বেগম। শেখ জমিরউদ্দিনের সঙ্গে ২৫ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের চারটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার মধ্যে তিন কন্যা সন্তানের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। অভাবের সংসারের কারনে ইদানিং স্বামীর সঙ্গে আলেয়ার অশান্তি চলছিল। সংসার চালাতে রবিবার স্বামীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন আলেয়া। তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে বচসা হয়। রাতেও সেই অশান্তি চরম পৌঁছলে রাগের মাথায় মুগুর দিয়ে স্ত্রী’র মাথায় আঘাত করে জহিরউদ্দিন। সংজ্ঞা হারিয়ে বিছানায় লুটিয়ে পড়েন আলেয়া। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর সকাল হতেই সোমবার এলাকা ছাড়েন জহিরউদ্দিন। নাড়ুগ্রাম থেকে বর্ধমানে পালিয়ে যান। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করার পর অনুশোচনা হয় তার। সরাসরি চলে যান রায়না থানায়। সেখানে পুলিশ অফিসারদের কাছে স্ত্রী’কে খুন করার কথা জানান তিনি। প্রথমে তার কথা বিশ্বাস করতে চাননি রায়না থানার পুলিশ অফিসাররা। তাকে থানায় বসিয়ে রেখে বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়। বিছানায় পড়েছিল আলেয়ার মৃতদেহ। এই খবর পাওয়ার পর জহিরউদ্দিন শেখকে গ্রেফতার করে রায়না থানার পুলিশ।

রায়না থানার এক পুলিশ অফিসার বলেন, ওই ব্যক্তি থানায় এসে স্ত্রীকে গতরাতে মেরে ফেলার কথা জানায়। প্রথমে আমরা বিশ্বাস করতে পারিনি। অনুশোচনা হওয়াতেই তিনি বর্ধমানে পালিয়ে গিয়েও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে থানায় ফিরে আসেন। থানায় বসে জহিরুদ্দিন বলেন, অভাবের সংসারে অশান্তি চলছিল। রাগের মাথায় মুগুর দিয়ে আঘাত করে ফেলি। তাতেই সে মারা যায়।

Published by:Simli Raha
First published:

Tags: Bardhaman, Murder

পরবর্তী খবর