Home /News /south-bengal /
GI ট্যাগ এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন নতুন গ্রামের কাঠের শিল্পীরা

GI ট্যাগ এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন নতুন গ্রামের কাঠের শিল্পীরা

File Photo

File Photo

মিহিদানা, সীতাভোগ, ল্যাংচার পর এবার বর্ধমানের কাঠের পুতুল পেতে চলেছে জিআই ট্যাগ।

  • Share this:

#বর্ধমান: সীতাভোগ মিহিদানা নাম শুনলেই বাঙালির জিভে জল আসে আর মাথায় আসে বর্ধমান শহরের নাম। শুধু তাই নয়, তালিকায় রয়েছে  শক্তিগড়ের ল্যাংচার নামও। সেরকম আরও একটি বিখ্যাত জিনিস পাওয়া যায় বর্ধমানে। কাঠের পুতুল বাংলার সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ হিসেবে পরিচিত এই পুতুল।

আজ থেকে নয়, বহু বছর ধরেই এই পুতুল তৈরি হয় বর্ধমানের নতুন গ্রামে। এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই শিল্পকে জিআই ট্যাগ দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। যেটা এখন নতুনগ্রাম নামে পরিচিত সেখানে আগে ছিল ঘন জঙ্গল। একদল কাঠুরে কাঠ কাটতে এসে এখানে একটি গ্রাম গড়ে তোলেন এবং নাম হয় 'নতুনগ্রাম'। সেখানে থাকতে শুরু করেন' সূত্রধর গোষ্ঠীরা। তখনকার দিনে নতুন গ্রামের আশেপাশের কিছু জায়গায় মূর্তি বানানো হতো। নিজেদের সেই থেকেই সূত্রধর এরা নিজেদের গ্রামে মূর্তি বানাতে শুরু করেন। তবে সেই মূর্তি কাঠের নয়, মাটির ছিল।

জগন্নাথ- বলরাম -সুভদ্রা গৌড় নিতাই, দেব-দেবী, এমনকী প্যাঁচার মূর্তি তৈরি করেন তারা। সূত্রধর এরা বাংলার সংস্কৃতিকে এভাবেই নিজেদের মতো করে করতে থাকেন যা নতুনগ্রামকে এক ভিন্ন পরিচিতি এনে দেয় ৷ তবে বর্তমানে তারা শুধু আর মূর্তি তৈরি করেন না ৷ আয় বাড়ানোর জন্য তারা কাঠের আসবাবপত্র তৈরি করেন। সেখানেও তারা রেখে দেন শৈল্পিক ছোঁয়া। এরপরও পুতুল তৈরি করা কিন্তু তারা বন্ধ করেননি।

স্বাধীনতার পর থেকে এখানকার শিল্প গোটা ভারতে ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ে। এখানকার শিল্প গোটা ভারতে পরিচিতি পায়। যুবতীর হাত থেকে পুরস্কার পান এখানকার কিছু শিল্পী। আজও বাংলার মেলার প্রদর্শনীতে এখানকার পুতুল দেখতে পাওয়া যায়। কাঠের পুতুলের পাশাপাশি শক্তিগড়ের ল্যাংচা ও খণ্ডঘোষ-এর ফেজ টুপিও এই তালিকাভুক্ত। খুব তাড়াতাড়ি যাবতীয় প্রক্রিয়া ও নথি সংগ্রহের কাজ শুরু হবে ৷ গোটা বর্ধমান জেলার সাথে সাথে এই নতুন গ্রামের শিল্পীরাও এই জিআই ট্যাগ-এর অপেক্ষায় উন্মুখ রয়েছেন, এমনই এক শিল্পী গোকুল নাথের কথায়, " আমাদের এই শিল্প স্বীকৃতি পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হাত ধরে। যা আমাদের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আরও প্রেরণা জোগাবে ৷ এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত হতে পেরে আমরা খুবই গর্বিত।’’

Shalini Datta

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Burdwan

পরবর্তী খবর