দাদার পর 'কাকুর' অনুগামীদের ব্যানারে নতুন বিতর্ক হাওড়া জেলায়! 

দাদার পর 'কাকুর' অনুগামীদের ব্যানারে নতুন বিতর্ক হাওড়া জেলায়! 

আপাতত বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে লেখা দেয়াল মোছার নির্দেশও দেন তিনি।

আপাতত বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে লেখা দেয়াল মোছার নির্দেশও দেন তিনি।

  • Share this:

#হাওড়া: দাদার অনুগামী, দাদার ভক্ত এইরকম ব্যানার, পোস্টের আগেই দেখেছিল রাজ্য।এবার কাকুর অনুগামী হিসাবে ব্যানার পড়ল হাওড়া শহরে। শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ীর সমর্থনে পড়ল এই ব্যানার। যাকে ঘিরে হাওড়া শহরে রাজনীতিতে যোগ হল নতুন মাত্রা। আগেই আসন্ন বিধানসভায় ভোটে প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছিলেন বিধায়ক জটু লাহিড়ী। এমনকি শিবপুর বিধানসভা জুড়ে তার অনুগামীরা শুরু করেছিল দেওয়াল লিখন। সেই বিতর্ক দানা বাঁধতেই তড়িঘড়ি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন বিধায়ক জটু লাহিড়ী। তাঁর দাবি কেউ  বা কারা তাঁকে বদনাম করতেই রাতের অন্ধকারে এই সব কাজ করছে। তিনি দাবি করেন যে, পুলিশ খুঁজে বের করুক করা এই কাজ করছে।

বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে লেখা দেয়াল মোছার নির্দেশও দেন তিনি। তবে এই ঘটনা নিয়ে হাওড়া জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরুপ রায় বলেন ঘটনার উপর নজরদারি চলছে এবং দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকালেই নজরে এল কাকুর অনুগামীদের ব্যানার যা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছাড়াল শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিয়াপাড়াতে । হাওড়া পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের টিকিয়াপাড়া অঞ্চলে পড়া ব্যানারে প্রচারক হিসাবে দুই তৃণমূল নেতার নাম থাকায় নতুন করে শুরু হল জল্পনা। একই সঙ্গে ব্যানারে লেখা ছিল জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায় ও তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের নামে বির্তকিত মন্তব্য।

এই বিষয় বিধায়ক জটু লাহিড়ী দাবি, দলেরই বিরোধী গোষ্ঠীর কাজ এটি।একই ভাবে মন্ত্রী অরূপ রায় জানান, এ বিষয় দল যা বলার বলবে। এই ঘটনায় বা বিধায়কের বক্তব্যে উঠে এল হাওড়া জেলায় তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠী কোন্দলের তত্ত্ব। এর আগেও একাধিক বার বিধায়কের গলায় সোনা গিয়েছিল প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে চড়া সুর | দলে থেকে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কথা বলে বহিষ্কৃত হতে হয়েছে বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে | এবার কি তাহলে দলের তোপের মুখে পড়তে চলছেন জটু লাহিড়ী ও শীতল সর্দাররা? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর