corona virus btn
corona virus btn
Loading

একাধিক শারিরীক সম্পর্ক, প্রেমিকের রোষে খুন গৃহবধূ, ২৭ দিন পর উদ্ধার কাটা মুণ্ডু

একাধিক শারিরীক সম্পর্ক, প্রেমিকের রোষে খুন গৃহবধূ, ২৭ দিন পর উদ্ধার কাটা মুণ্ডু

খুনের ঘটনার পূনর্নিমানে গিয়ে উদ্ধার হল মুন্ডু। কিনারা হল শাষনের ভেড়ি থেকে মুন্ডুহীন তুরুণীর দেহ উদ্ধারের ঘটনা।

  • Share this:

RAJARSHI ROY

#হাড়োয়া:  একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক। তার জেরেই প্রেমিকের রোষের শিকার। হাড়োয়ার বিবাহবিচ্ছিন্ন গৃহবধূর খুনের কিনারা করে দাবী পুলিশের। মোবাইল কলের সূত্র ধরে অবশেষে কিনারা করল শাসনের রহস্যময় মুণ্ডহীন তরুণী গৃহবধূর  দেহ উদ্ধার মামলার। এ মাসের গোড়ায়  উদ্ধার হওয়া  মহিলার মুণ্ড উদ্ধার হল খুনের ২৭ দিন পর। খুনের ঘটনার পুননির্মান করার সময় শাসন চোলপুর মাছের ভেড়ির জল থেকে মুণ্ডটি বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়ার আগেই অবশ্য পুলিশ গুটিয়ে আনে তদন্তের জাল। গ্রেফতার হয় নৃশংস খুনের পেছনে থাকা  অভিযুক্ত প্রেমিক আবদুল নঈম মোল্লা।  খুন হওয়া মহিলার ফোনের কল থেকে পুলিশ খুনের  মোটিভ ও মোডাস অপারেন্ডি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। বিয়েতে প্রত্যাখ্যানের কারণেই প্রতিহিংসা। আর তাই খুন দাবী পুলিশের। পুলিশ এও জানিয়েছে, ফোন করে শাসনের  ভেড়ি এলাকায় ডেকে খুন করা হয় তরুণী গৃহবধূকে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুণ্ড বিচ্ছিন্ন করে পাশের জলাতে পুঁতে রাখা হয় তথ্যপ্রমাণ লোপাট করার উদ্দেশ্যে।

উত্তর চব্বিশ পরগণা পুলিশ জানিয়েছে, বিবাহবিচ্ছিন্ন  মহিলার সাথে বছর চারেক ধরে নঈমের সম্পর্ক। সম্প্রতি নঈম ঐ স্বামী পরিত্যাক্তা মহিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু নারাজ মহিলার উপর ক্রুদ্ধ হয়েই তাঁকে নির্জন ভেড়ির আলে ডেকে খুন করে। নেপথ্যে মহিলার বিবাহে রাজি না হওয়া এবং অন্য পুরুষদের সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক কারণেই খুন বলে মত পুলিশের। প্রেমিক জানতে পারে, পরপুরুষের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে শারিরীক সম্পর্ক তৈরী করত তার প্রেমিকা। জানতে পেরে ক্রোধ পর্যবসিত হয়  প্রতিশোধে। মানসিক ভাবে এত তীব্র  প্রতিশোধ  বাসনা জন্মায় বছর তেইশের  নঈমের যে প্রেমিকার  গলা কেটে খুন করে সে ।

প্রসঙ্গত,  হাড়োয়ার সায়ের বাজারের বাসিন্দা বছর তেইশের তরুণী গৃহবধূর ধরহীন নগ্ন  দেহ উদ্ধার হয় ১ ফেব্রুয়ারি শাসনের একটি মাছের ভেড়ি থেকে । সেই ঘটনাযর  সাতদিন পর পরিবারের লোকজন মৃতদেহ শনাক্ত করে । এরপর পুলিশ তদন্তে নেমে মোবাইল ফোন কল সুত্র ধরে নঈমকে গ্রেফতার করে। উত্তর চব্বিশ পরগণার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, "বুধবার পুলিশ গ্রেফতার করে নঈমকে। বারাসত আদালত থেকে দশ দিনের পুলিশ হেফাজত নিয়ে ফরিদা খুনের সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা এবং খুনের ঘটনার বাকি অংশ  কিনারা করতে জেরা করছে পুলিশ।

মৃতার বাবার অভিযোগ, ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার জন্য ৩১ তারিখ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন যুবতী তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। এই মর্মে হাড়োয়া থানায় নিখোঁজ মামলা দায়ের করেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার করে। ওই যুবতী বাবার অভিযোগ, ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। অভিযোগ, মহিলাকে ধর্ষণ করে ভেড়ির জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয় এবং তার শরীরে ধর্ষণের কিছু চিহ্ন পাওয়া যায়। বুধবার ঘটনার তদন্তে নেমে শাসন ও হাড়োয়া থানার পুলিশ অভিযুক্ত নইমকে গ্রেফতার করে হাওড়ার ডোমজুড় থেকে। আর বৃহস্পতিবার মহিলার কাটা মুন্ডু উদ্ধার করে শাসন থানার পুলিশ।

Published by: Shubhagata Dey
First published: February 27, 2020, 5:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर