• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ৪ নাবালকের খুনীকে ফাঁসির সাজা আদালতের

৪ নাবালকের খুনীকে ফাঁসির সাজা আদালতের

হাওড়ায় চার নাবালক খুনে দোষী সাব্যস্ত হাজি কুরেশির ফাঁসির নির্দেশ দিল উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালত। ২০১১ সালে নিজের তিন সন্তান ও শ্যালিকার এক সন্তানকে খুন করে স্থানীয় জলাশয়ে ফেলে দেয় হাজি কুরেশি।

হাওড়ায় চার নাবালক খুনে দোষী সাব্যস্ত হাজি কুরেশির ফাঁসির নির্দেশ দিল উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালত। ২০১১ সালে নিজের তিন সন্তান ও শ্যালিকার এক সন্তানকে খুন করে স্থানীয় জলাশয়ে ফেলে দেয় হাজি কুরেশি।

হাওড়ায় চার নাবালক খুনে দোষী সাব্যস্ত হাজি কুরেশির ফাঁসির নির্দেশ দিল উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালত। ২০১১ সালে নিজের তিন সন্তান ও শ্যালিকার এক সন্তানকে খুন করে স্থানীয় জলাশয়ে ফেলে দেয় হাজি কুরেশি।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #উলুবেড়িয়া: হাওড়ায় চার নাবালক খুনে দোষী সাব্যস্ত হাজি কুরেশির ফাঁসির নির্দেশ দিল উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালত। ২০১১ সালে নিজের তিন সন্তান ও শ্যালিকার এক সন্তানকে খুন করে স্থানীয় জলাশয়ে ফেলে দেয় হাজি কুরেশি। প্রায় পাঁচ বছর ধরে মামলা চলার পর আজ উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতের বিচারক এই রায় দেন।

    হাওড়ার হামিদ মুন্সি লেনের বাসিন্দা হাজি কুরেশি নিজের তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বাগনানে একটি বিয়ে বাড়িতে বেড়াতে যায়। ওই দিনই নিজের তিন সন্তান ও শ্যালিকার ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে বের হয় হাজি কুরেশি। দুপুরের পর ফিরে আসে একা। বাড়ির লোকের প্রশ্নের উত্তরে হাজি কুরেশি জানায় হারিয়ে গিয়েছে চারজনই। বাগনান থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

    স্থানীয় জলাশয় থেকে উদ্ধার হয় চার শিশুর মৃতদেহ। পুলিশি জেরায় হাজি কুরেশি জানায়, ‘আমিই খুন করেছি চার শিশুকে...স্ত্রীর সঙ্গে ভায়রাভাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক ছিল.. তাই ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে জলাশয়ে ফেলে দেই' ৷

    এরপরই ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু হয় বিচার। মামলায় মূল সাক্ষী দেন হাজি কুরেশির শ্বশুর সাহিল কুরেশি। মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয় হাজি কুরেশি। তার ফাঁসির নির্দেশ দেন উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতের বিচারক।

    এই রায়ের বিরুদ্ধে শিগগিরই হাইকোর্টে আবেদন করতে চলেছে হাজি কুরেশির পরিবার।

    দীর্ঘদিন মামলা চলার পর আদালতের কাছে ন্যায় বিচার পেয়ে খুশি দুই পরিবার। তাদের আর্জি যত দ্রুত সম্ভব এই সাজা কার্যকর করা হোক।

    First published: