Home /News /south-bengal /
Bardhaman: News 18 Bangla-র খবরের জের, কিডনি বিক্রি করতে চাওয়া যুবকের বাড়িতে বিধায়ক 

Bardhaman: News 18 Bangla-র খবরের জের, কিডনি বিক্রি করতে চাওয়া যুবকের বাড়িতে বিধায়ক 

Bardhaman: লকডাউনে কাজ চলে যায় সেই যুবকের। তার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় কিডনি বিক্রি করতে চেয়ে পোস্ট করেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: নিউজ 18 বাংলার খবরের জের। কিডনি বিক্রি করতে চাওয়া প্রতিবন্ধী যুবকের বাড়ি গেলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস। রবিবার দুপুরে বিধায়ক ওই যুবক সম্রাট গোস্বামী ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানতে চান।

ওই পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করেন বিধায়ক। সম্রাটের স্ত্রীকে মঙ্গলবার বর্ধমান পুরসভায় দেখা করতে বলেছেন বিধায়ক। তাঁকে যাতে কোনও কাজ দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা তিনি করবেন বলে বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন।

বিধায়ক খোকন দাস বলেন, শনিবার নিউজ 18 বাংলায় এই খবর দেখার পরই আমি এই পরিবারের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিই। সেই জন্যই আজ তাঁর বাড়িতে এলাম।

আরও পড়ুন- হায় রে ফাদার্স ডে, বাবার সই জাল করে ছেলে যা করল, তাজ্জব গোটা এলাকা!

চরম আর্থিক সংকট কিছুটা মেটায় নিউজ 18 বাংলাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সম্রাট ও তাঁর পরিবার। লকডাউনে কাজ গিয়েছে। সংসার চালাতে কিডনি বেচতে চেয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন ওই প্রতিবন্ধী যুবক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়।

শারীরিক দিক দিয়ে বিশেষভাবে সক্ষম ওই যুবকের নাম সম্রাট গোস্বামী। তাঁর স্ত্রী ও একটি সন্তান রয়েছে। তাঁরা বর্ধমানের টিকরহাটে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সম্রাট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটারের কাজ করতেন। লকডাউনে সেই কাজ চলে গিয়েছে। চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়ে পরিবার।

সম্রাটের স্ত্রী মনীষা বাধ্য হয়ে পরিচারিকার কাজ বেছে নিয়েছেন। দুটি বাড়ি কাজ করে পান ২৪০০ টাকা। সেখানে বাড়ি ভাড়া মেটাতে খরচ হয় তিন হাজার টাকা। এর পর রয়েছে খাওয়া ও অন্যান্য খরচ।

অনেক ভেবে উপায় না দেখতে পেয়ে কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সম্রাট। আশা ছিল, ক্রেতা পাওয়া গেলে মিলতে পারে মোটা টাকা।

সম্রাটের বোন বনশ্রী দেবনাথ বলেন, আমি ও আমার স্বামীও এই কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলাম। আমরা স্বামী স্ত্রী বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতাম। লকডাউনে আমাদেরও সে কাজ চলে গিয়েছে। এর মাঝে মা অসুস্থতায় মারা গিয়েছেন। আমরা সংসার চালাতে পারছি না। তাই আমরা কিডনি বিক্রি করার কথা ভেবেছিলাম। এখন দেখছি ভাইও সেই সিদ্ধান্তের কথা সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছে।

আরও পড়ুন- 'কোনও তোলাবাজি চলবে না, কে কত বড় গুন্ডা আছে দেখে নেব!', দাবাং বর্ধমানের এসপি

এক হাজার টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা এই অগ্নিমূল্যের বাজারে সামান্যই। তাই ছেলে বউয়ের মুখ চেয়ে এখন সোস্যাল মিডিয়ায় কিডনির ক্রেতা খুঁজছেন সম্রাট। তার মাঝে বিধায়কের আর্থিক সাহায্য ও কাজের আশ্বাস কিছুটা হলেও হাসি ফোটালো এই পরিবারের মুখে।

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: Bardhaman, Bardhaman news

পরবর্তী খবর