• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লকডাউনে লাভ-জেহাদ! নাবালিকার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে শ্রীঘরে যুবক

লকডাউনে লাভ-জেহাদ! নাবালিকার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে শ্রীঘরে যুবক

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা একটি অভিযোগ করেছে ভাতার থানায়।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা একটি অভিযোগ করেছে ভাতার থানায়।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা একটি অভিযোগ করেছে ভাতার থানায়।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: নিয়মের তোয়াক্কা করেননি তিনি। ভালোবাসার পাত্রীর সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়েই করে বসলেন এক সদ্য যুবক। কিন্তু পাত্রী যে এক নাবালিকা! ঘটনা চাউড় হতেই তা আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এলাকায়। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ঢেরিয়া গ্রামে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় ক্রমে। শেষমেশ অভিযুক্ত  যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিন বিষয়ে ওই নাবালিকার বাবা ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। ঘটনার খবর জানতে পেরে ভাতার থানার পুলিশ গতকাল রাত্রে ওই যুবক মানিক বাগকে গ্রেফতার করে তার বাড়ি থেকে। ওই যুবকের বয়স বাইশ বছর। তিনি পেশায় দিনমজুর।

নাবালিকার বাবা কালাচাঁদ সিংয়ের অভিযোগ, গত দু'বছর ধরে তার মেয়েকে বিরক্ত করতো মানিক বাগ। টিউশন ও স্কুল গেলে রাস্তা আটকে বিরক্ত করতো সে। বারবার এ বিষয়ে ছেলের বাবাকে জানিয়েছিলেন কালাচাঁদ। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। গত বৃহস্পতিবার  জোর করে তার মেয়ের কপালে সিঁদুর দিয়ে দেযন মানিক বাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা একটি অভিযোগ করেছে ভাতার থানায়।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  শনিবার তাক তাকে বিচারের জন্য বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। ভাতার থানার পুলিশের এক অফিসার বলেন, সম্ভবত আবেগের বশেই এই কাজ করে ফেলেছে ওই যুবক। জিজ্ঞাসাবাদে সে এমনটাই জানিয়েছে। কিন্তু নাবালিকার সঙ্গে এমন আচরণ যে গুরুতর অপরাধের শামিল সে কথা তাকে বোঝানো হয়েছে।

তিনি জানান, ধারাবাহিক প্রচারের জেরে এখন নাবালিকা বিয়ে অনেকটাই কমেছে। এখন যে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বয়স সে কথা আরও ভালোভাবে সদ্য যুবকদের বোঝানো প্রয়োজন। এ ব্যাপারে এলাকায় এলাকায় সচেতনতা শিবির করার কথা ভাবা হচ্ছে।

Published by:Arka Deb
First published: