হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
বীভৎস কাণ্ড! বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কে আপত্তি! বালিশ চাপা দিয়ে খুন করল মা-মেয়ে

Burdwan News: বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কে আপত্তি, স্ত্রী ও মেয়ের হাতে খুন হলেন ব্যক্তি!

প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, সুনীলের মুখে বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • Share this:

দক্ষিণবঙ্গ: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন স্ত্রী। বাড়িতে অন্য লোকেদের নিয়ে আসা হচ্ছে যখন তখন। এমন অভিযোগে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি, বচসা হত সংসারে। কিন্তু সেই কথা কাটাকাটির যে এমন চরম পরিণতি তা কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি।

'সম্পর্কে বাধা' দেওয়ায় এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কাটোয়ায়। অভিযুক্ত মা ও মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার সকালে বাড়ির মধ্যেই উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের সুনীল রায়ের নিথর দেহ। সুনীলের বাড়িতে অশান্তি অতীত পাড়ার কারোরই অজানা ছিল না। তাই মৃতদেহ উদ্ধারের পরপরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। আটক করা হয় সুনীলের স্ত্রী ও মেয়েকে।

আরও পড়ুন: বিয়ের আসর চলছিল, হঠাৎই দাউদাউ করে জ্বলে উঠল চারপাশ, ধানবাদের বহুতলে আগুনে আটকে ৩ শিশু সহ মৃত ১৪

আরও পড়ুন:নথি ঠিক না ভুল? অমর্ত্য সেন জমি বিতর্কে শোরগোল পৌঁছল দিল্লিতেও

প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, সুনীলের মুখে বালিশ চাপা দিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বর্তমানে সুনীলের স্ত্রী রমা ও মেয়ে মাম্পিকে আটক করেছে পুলিশ। জামাই ও ছেলের খোঁজ চলছে। মৃতের বোন বুলু কীর্তনীয়ার অভিযোগ,"বাড়িতে বাইরের লোক নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে বৌদি ও ভাইঝি সঙ্গে দাদার প্রায়ই গন্ডগোল, অশান্তি লেগেই থাকত। বৌদি-ভাইঝি-ভাইপো মিলে দাদাকে মারধর করত। দাদাকে খুন করেছে ওঁরা। সোমবার সকালে দাদা আমাকে খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা বলেছিল।"

অন্যদিকে, প্রতিবেশী পরিতোষ বিশ্বাস বলেন, "সুনীল রায়ের সঙ্গে বাড়িতে  প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। গত রাতেও গণ্ডগোলের আওয়াজ পেয়েছিলাম।" ঘটনায় কাটোয়া থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে  তদন্ত শুরু করেছে।

Published by:Satabdi Adhikary
First published:

Tags: Burdwan