corona virus btn
corona virus btn
Loading

চোখে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, তৈরি হচ্ছেন আসানসোলের অদ্রিজা

চোখে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, তৈরি হচ্ছেন আসানসোলের অদ্রিজা
Photo Courtesy- Facebook

অদ্রিজার পাখির চোখ এখন ২০২০-র ওয়ার্ল্ডকাপ।

  • Share this:

#আসানসোল: দামাল মেয়ের দু’চোখে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। গ্রামের মেঠো পথ বেয়ে বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় আসানসোলের অদ্রিজা সরখেল।  রাজ্যের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আন্ডার সেভেনটিন ফুটবল বিশ্বকাপে জন্য ইন্ডিয়া ক্যাম্পে সুযোগ এসেছে। অদ্রিজার পাখির চোখ এখন ২০২০-র ওয়ার্ল্ডকাপ।

গ্রামের দামাল মেয়ে এবার বিশ্বকাপের দোড়গোড়ায়।  অনুর্ধ্ব-১৭ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবলের জাতীয় দলের শিবিরে ডাক পেয়েছে আসানসোলের রূপনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহাবীর কলোনির বাসিন্দা অদ্রিজা সরখেল। একত্রিশেজনের শিবিরে রাজ্যের একমাত্র প্রতিনিধি অদ্রিজা।

বাড়ি বার্ণপুরে হলেও.....ছোট থেকেই মামারবাড়িতে মানুষ অদ্রিজা। দাদু-মামাকে দেখেই মাঠের প্রতি টান। ফুটবলের প্রথম পাঠও তাঁদের কাছেই।পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে স্বপ্নের দৌড় শুরু। তখনই গোলকিপার হিসেবে অনেকের নজর কেড়ে নেয় অদ্রিজা। স্থানীয় ফুটবল প্রশিক্ষক সঞ্জীব বাউড়ির কাছে প্রশিক্ষণ।  এরপরই স্কুলস্তর থেকে জেলা হয়ে রাজ্য স্তরে খেলার সুযোগ।

--২০১৪ সালে মণিপুরে অনুর্ধ্ব ১৪-র ন্যশনাল মিটে প্রথম জাতীয় স্তরে খেলে অদ্রিজা ---গোলকিপার হিসেবে শুরুতেই নজর কাড়ে সে --২০১৮ সালে অনুর্ধ্ব -১৬ বাংলার হয়ে ত্রিপুরায় খেলার সুযোগ -২০১৯ সালে মহারাষ্ট্রের কোলাপুরে ওপেন ন্যাশনাল মিটে অংশ নেয় অদ্রিজা --সেখান থেকেই আন্ডার সেভেনটিন বিশ্বকাপের জন্য ইন্ডিয়া ক্যাম্পে নির্বাচিত হয় অদ্রিজা

বাবা সাধারণ ঠিকাকর্মী। মেয়ের খেলার প্রশিক্ষণের খরচ বহন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। দাদুর পেনসনের টাকাতেই চলে নবম শ্রেণির ছাত্রী অদ্রিজার যাতায়াত খরচ, প্রশিক্ষণ।  টার্গেট এখন কোলাপুরের ক্যাম্প। এখানে ভালো খেললেই , ২০২০ সালে বিশ্বকাপের সুযোগ হাতের মুঠোয়।   ইচ্ছেডানার জন্য আজ খোলা আকাশ। স্বপ্নের উড়ান-ভরা সবে শুরু।  বহু পথ বাকি।  অপেক্ষায় আসানসোলের দামাল মেয়ে।

First published: August 2, 2019, 8:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर