corona virus btn
corona virus btn
Loading

জঙ্গলে নিশ্চিন্ত বিচরণ, লকডাউনের আবহে সুন্দরবনে বাড়ল ৮ রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

জঙ্গলে নিশ্চিন্ত বিচরণ, লকডাউনের আবহে সুন্দরবনে বাড়ল ৮ রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার
সংগৃহীত ছবি

পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতে মূলত পাঁচটি রেঞ্জ অর্থাৎ বসিরহাট, সজনেখালি, জাতীয় উদ্যান পূর্ব ও পশ্চিম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিভিশন নিয়ে সুন্দরবন।

  • Share this:

#কলকাতাঃ জঙ্গলে নিশ্চিন্ত বিচরণ। বাড়ল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার । ভাল খবর নিয়ে এল রাজ্য বন দফতর। এ রাজ্যে সুন্দরবনে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা আগের থেকে বেড়েছে। যার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে আট'টি। আর ২০১৬-১৭ সালের হিসেবের নিরিখে বেড়েছে ন'টি। ২০১৬-১৭ -তে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ৮৭। গত বছর ছিল ৮৮। আর ২০১৯-২০ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৬টি। সারা দেশে যখন ব্যাঘ্র সংরক্ষণের উপরে বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে, সে সময়ে সুন্দরবনে প্রায় ১০% বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ব-দ্বীপ এই সুন্দরবন। তার মধ্যে সুন্দরবনই বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ জঙ্গল, যেখানে বাঘের উপস্থিতি অন্যতম আকর্ষণ। এ হেন ব-দ্বীপে বাঘের গতি-প্রকৃতিও একটু অন্যরকম। বলা হয়, ম্যানগ্রোভ বনের বড় ঘাসের সাহায্যেই এখানে অনায়াসে লুকিয়ে থাকতে পারে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।

পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতে মূলত পাঁচটি রেঞ্জ অর্থাৎ বসিরহাট, সজনেখালি, জাতীয় উদ্যান পূর্ব ও পশ্চিম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিভিশন নিয়ে সুন্দরবন। এই ডিভিশনে আবার রয়েছে মাতলা, রায়দিঘী এবং রামগঙ্গা রেঞ্জ। পুরো বনাঞ্চলের আয়তন ২৬৯৬ বর্গ কিলোমিটার। ২০১৬-১৭ সালের হিসেবে বসিরহাট এবং সজনেখালিতে বাঘের সংখ্যা ছিল ১৪টি করে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৪টি এবং জাতীয় উদ্যান দু'টিতে ছিল ৩৫টি বাঘ। এ বারের হিসেবে দেখা যাচ্ছে, বসিরহাট এবং সজনেখালিতে বাঘের সংখ্যা যথাক্রমে ১৯ এবং ১০টি। দুই জাতীয় উদ্যানে ৪৪টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা ডিভিশনে ২৩টি।

রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "দশটি দল এই বাঘসুমারির কাজ করেছে। যার প্রত্যেকটি দলে ছিলেন ১০ থেকে ১২ জন। তার মধ্যে ৩ থেকে ৪ জন সশস্ত্র রক্ষীও ছিলেন। মূলত দু'টি পর্যায়ে এই নজরদারি চালানো হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "একটি পর্যায় ছিল গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ১৩ জানুয়ারি আর অন্য পর্যায়টি ছিল ২২ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি। প্রথম পর্যায়ে ১১৫৬টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বা ক্যামেরা ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যবহার করা হয় ২৭২টি ক্যামেরা ফাঁদ। তার মাধ্যমে ছবি তুলেই বাঘের মোট সংখ্যা গণনা করা হয়।"

SHALINI DATTA

First published: May 7, 2020, 1:33 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर