দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

একবার সুস্থ হওয়ার পর ফের করোনা আক্রান্ত ৪৬ জন ! উদ্বেগ পূর্ব বর্ধমানে !

একবার সুস্থ হওয়ার পর ফের করোনা আক্রান্ত ৪৬ জন ! উদ্বেগ পূর্ব বর্ধমানে !
photo source collected

এক দু'জন নয়, পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৪৬ জন দ্বিতীয়বারের জন্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান:  এক দুজন নয়, পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৪৬ জন দ্বিতীয়বারের জন্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই তথ্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জেলা প্রশাসনের। পুলিশ থেকে শুরু করে ডাক্তার কিংবা ব্যবসায়ী- অনেকেই দ্বিতীয়বারের জন্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাতে চিন্তা বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যেও। জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, দ্বিতীয়বারের জন্য এই ব্যক্তিরা কেন আক্রান্ত হলেন তার কারণ চিহ্নিত করতে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। আক্রান্তরা কোন ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত, প্রথমবার আক্রান্ত হওয়ার কতদিন পর তাঁরা দ্বিতীয়বারের জন্য আক্রান্ত হলেন, দুই ক্ষেত্রে কোনও উপসর্গ ছিল কিনা,প্রথমবার বা দ্বিতীয়বার কোন ক্ষেত্রে অসুস্থতা বেশি সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় পরীক্ষা কমলেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। যা বেশ উদ্বেগের কারণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, অ্যান্টিজেন পরীক্ষা অনেকটাই কমে গিয়েছে। আগে যেখানে দু হাজারের কাছাকাছি পরীক্ষা হচ্ছিল এখন তা ৫০০-র কাছাকাছি নেমে এসেছে। অথচ প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অর্থাৎ পরীক্ষা বেশি হলে আরও অনেকের দেহেই করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি থেকে যাচ্ছে। অনেকেই হয়তো করোনা আক্রান্ত অথচ তাদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না পরীক্ষার অভাবে। তাদের মাধ্যমে আবার অনেকের দেহে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। যেহেতু আক্রান্তদের বেশিরভাগই উপসর্গহীন তাই তাদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান,পুলিশ বা ডাক্তারদের ক্ষেত্রে তাঁরা যেহেতু বেশিরভাগ সময় অনেকের সংস্পর্শে আসছেন তাই তাদের দ্বিতীয়বারের জন্য আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এমন কয়েকটি ঘটনা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বাকিরাও কেন দ্বিতীয়বারের জন্য আক্রান্ত হলেন তাও প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এছাড়াও যেসব এলাকায় আক্রান্ত হবার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে সেখানে কেন সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্ধমান শহরের নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকা রয়েছে যেখানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। কেন ওই এলাকাতেই মৃত্যুর হার বেশি তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সমীক্ষা করিয়ে জানতে চাওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH
Published by: Piya Banerjee
First published: October 8, 2020, 12:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर