• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • 4 MUSLIM YOUTH COOPERATE WITH A HINDU FAMILY FOR A MEMBERS LAST RITES AMID CORONA FEAR SDG

করোনা আতঙ্কে পিছু হটল আত্মীয়-প্রতিবেশী, মৃতদেহ সৎকারে কাঁধ দিল এলাকার মুসলিম যুবকরা

প্রতীকী ছবি

অমানবিকতার চূড়ান্ত নিদর্শন মিলল বেলডাঙার মহেশপুর গ্রামে।

  • Share this:

    #বেলডাঙা: পরিবারের আত্মীয়েরা থেকেও নেই। মৃত্যুর পরে করোনা আতঙ্কে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের দেহ সৎকারে এগিয়ে এল না কেউ। অমানবিকতার চূড়ান্ত নিদর্শন মিলল বেলডাঙার মহেশপুর গ্রামে। শনিবার ভোরে অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক নরেন্দ্রনাথ কর্মকার (৬৫) মারা যান। গত পাঁচদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। এলাকার চিকিৎসককে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার আগেই মারা যান।

    এরপরেই এলাকায় রটে যায় করোনায় আক্রান্ত ছিলেন ওই শিক্ষক। আর তাতেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ফলে পাড়া-প্রতিবেশী থেকে আত্মীয়-স্বজনরা কেউ এগিয়ে আসেনি। সৎকারের উপায় না পাওয়ায় মৃতের স্ত্রী পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী কামারুজ্জামানের শরণাপন্ন হন।  সব কথা শুনে কামারুজ্জামান এবং তাঁর সঙ্গীরা মৃৎ শিক্ষকের বাড়ি থেকে মৃতদেহ বের করে শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।

    এ দিন কামারুজ্জামানের সঙ্গে ছিলেন ইসমাইল, একরামুল, ববি। চারজনে মিলে  ঘর থেকে মৃতদেহ বের করে আনেন। মৃত শিক্ষকের ছেলে অঞ্জন কর্মকার বলেন, "কামরুজ্জামান না থাকলে আমাদের খুব অসুবিধার মধ্যে পড়তে হতো। তাঁর চেষ্টাতেই বাবার সৎকার করতে পারলাম। উনার কাছে আমরা ঋণী।" জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন বলেন, আমাদের জেলাতে হিন্দু-মুসলিমের কোনও বিভেদ নেই। সকলে একসাথে বসবাস করি।

    Pranab Kumar Banerjee

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: