• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লাইফ জ্যাকেটেই রক্ষা, মাঝ সমুদ্রে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ৩৬ জন জেলে

লাইফ জ্যাকেটেই রক্ষা, মাঝ সমুদ্রে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ৩৬ জন জেলে

  • Share this:

    #কলকাতা: লাইফজ্যাকেট-ই লাইফলাইন। সাগরে ট্রলার দুর্ঘটনায় সুরক্ষা বর্মই প্রাণ বাঁচিয়েছে ছত্রিশজন মৎস্যজীবীর। এই লাইফ জ্যাকেট পরেই উদ্দাম ঢেউয়ে ভেসে ছিলেন মৎস্যজীবীরা। এখনও নিখোঁজ বহু। উত্তাল সমুদ্রে বার বার বিপর্যয় ঘটলেও, লাইফ-জ্যাকেট নিয়ে গাফিলতি থেকেই যাচ্ছে।

    সাগরে ফের ট্রলারডুবি । ইলিশের মরসুমে লাভের আশায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ৪ঠা জুন গভীর সমুদ্রে যায় শতাধিক ট্রলার। উত্তাল সমুদ্র। ঝোড়া হাওয়া। উথাল-পাথাল ঢেউয়ে লাউয়ের খোলার মত দুলতে থাকে ট্রলারগুলি। হাওয়ায় ধাক্কায় বাংলাদেশ সীমানায় ঢুকে যায় কয়েকটি ট্রলার। হাড়িভাঙা চড় সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে ধীরে ধীরে ডুবতে শুরু করে চারটি ট্রলার।

    ডুবন্ত ট্রলার থেকে একে একে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন কয়েকজন মৎস্যজীবী। লাইফ-জ্যাকেট পড়ে প্রাণ হাতে করে উদ্দাম ঢেউয়ের মাথায় ভাসতে থাকেন তাঁরা। তাঁদের উদ্ধার করেন অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীরা। এখনও নিখোঁজ বেশ কয়েকজন।

    লাইফ জ্যাকেটই মৎস্যজীবীদের লাইফলাইন। এই ঘটনায় ফের একবার প্রমাণিত। প্রতিকূল সমুদ্রে জীবন বাঁচাতে লাইফ-জ্যাকেট দেয় রাজ্য সরকার। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সুরক্ষা বর্ম ছাড়াই সমুদ্রে যান মৎস্যজীবীরা।

    কার গাফিলতি? মৎস্যজীবীদের অনীহা? না কী তাঁদের হাতেই পৌঁচচ্ছে না লাইফ জ্যাকেট? চলছে কাটাছেঁড়া। তবে দুর্ঘটনার পর তৎপর প্রশাসন। এবার মৎস্যজীবীদের লাইফজ্যাকেট পড়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এই নিয়ে জেলা প্রশাসনকে নজরদারি চালানোর নির্দেশ সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর।

    ছত্রিশজনকে বাঁচিয়ে দিয়েছে লাইফ-জ্যাকেট। কে বলতে পারে, লাইফ-জ্যাকেট থাকলে হয়ত বাকিরাও দ্বিতীয়বার নবজন্ম পেতেন। স্বজনহারাদের কান্নায় তাই যেন কোথাও মিশে যায় আক্ষেপও।

    First published: