করোনা বাড়ছে, ভিন রাজ্য থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তৃণমূলের

করোনা বাড়ছে, ভিন রাজ্য থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তৃণমূলের

ন রাজ্য থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তৃণমূলের

এক দিকে ভোটের মরশুম। আর তার মধ্যে বাড়ছে করোনা। সংক্রমণ আটকাতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

  • Share this:

#উত্তর২৪ পরগণা: এক দিকে ভোটের মরশুম। আর তার মধ্যে বাড়ছে করোনা। সংক্রমণ আটকাতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বুধবার দুপুরে উত্তর ২৪ পরগণার জেলা শাসকের দফতরে বারাসাত ও মধ্যমগ্রামের তৃণমূলের দুই প্রার্থীকে সঙ্গে করে মনোনয়ন জমা দিতে এসেছিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন নির্বাচন কমিশনের হেলথ্ অবজারভারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন সাংসদ।

তিনি বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করা উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের। শুধু তাই নয় মহারাষ্ট্র থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের এখানে এনে কোয়ারেন্টাইনে রাখা উচিত ছিল। কারণ মহারাস্ট্রে তো করোনা উর্ধ্বমুখী। এই সব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সুনির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি বলে তাঁর অভিযোগ বারাসাতের সাংসদ কাকলী ঘোষদস্তিদারে।

হেলথ অবজারভার কী করছেন বলে তিনি প্রশ্ন তোলেন। এদিন করোনা বিধি মানা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও মনোনয়ম জমা দিতে দুই প্রার্থীর সঙ্গে মিছিল করে আসা অধিকাংশ তৃণমূল নেতা কর্মীর মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। এমনকি, তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব মানারও কোনও বালাই ছিল না। এদিন বারাসাতের তারকা প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও মধ্যমগ্রামে প্রার্থী রথীন ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার এসে বাংলার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি।

তাঁর অভিযোগ, "মিঠুন বাংলার জন্য কিছুই করেননি। বাংলায় তাঁর কোনও বাড়ি নেই। হঠাৎ করে কলকাতার ভোটার হয়েছেন।" একদা তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ মিঠুনকে কটাক্ষ করে হিন্দিতে বলেন, "ইসকে পিছে কেয়া রাজ হ্যায়।" তার হিন্দিতে বলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, "এটা যেন ওদের কানে পৌঁছায় এবং তাঁরা বুঝতে পারেন"।

তিনি আরও দাবি করেন মিঠুন কেন বিজেপিতে গিয়েছে তা তিনি জানেন। সৌজন্যের খাতিরে সেই রাজ তিনি প্রকাশ্যে আনছেন না। তবে মিঠুনের হঠাৎ করেই বাংলার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন চাপের কাছে নতি স্বীকার করেই বিজেপির হয়ে প্রচারে নামছেন মহাগুরু মিঠুন। বাংলায় মানুষের বিপদে মহাগুরু মিঠুন কখনও থাকেনি বলে এদিন কাকলি ঘোষদস্তিদার অভিযোগ করেন।

নারদা কাণ্ডে অভিযুক্ত এই সাংসদের দাবি, রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিওর নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা দরকার। তাহলে নির্বাচনের আগে এভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে বিরোধী নেতা নেত্রীদের হেনস্থা করা বন্ধ হত। তিনি মেদিনীপুরে অধিকারী পরিবারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন,"অনৈতিক ভাবে উপার্জন বাঁচাতেই তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেছেন"।

Rajorshi Roy

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: