১০৮ আকবরি মুদ্রা ও দামি মণিমুক্তো দিয়ে তৈরী সোনার দুর্গার, ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নজরদারিতে চলে পুজো

একবার প্রদীপের আগুনে পুড়ে যায় মূর্তি। রাজার বড় ছেলে কাশীনাথ সিংহ ১৭৭০ সালে সোনার দুর্গায় পুজোর সিদ্ধান্ত নেন।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 11, 2019 08:38 PM IST
১০৮ আকবরি মুদ্রা ও দামি মণিমুক্তো দিয়ে তৈরী সোনার দুর্গার, ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নজরদারিতে চলে পুজো
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 11, 2019 08:38 PM IST

#পুরুলিয়া: ৩৬০ দিন লকার-বন্দি। পুজোর পাঁচদিন মুক্তি। ষষ্ঠী থেকে দশমী পুরুলিয়ার গড় জয়পুর রাজবাড়িতে রাজকীয় আপ্যায়ন ১০৮ আকবরি মুদ্রা ও দামি মণিমুক্তো দিয়ে তৈরী সোনার দুর্গার। ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নজরদারির মধ্যেই হয় বোধন, সন্ধিপুজো, বিসর্জন।

পুরুলিয়া থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে গড় জয়পুর। ইতিহাসের বোঝা কাঁধে আজও দাঁড়িয়ে ভাঙাচোরা রাজবাড়ি। কামান, তোপ, রাজসিক ঠাঁটবাটের আভিজাত্য অতীত। তবু রাজবাড়ির গর্ব সোনার দুর্গা।

পঞ্চমীর দিন উমা আসে ব্যাঙ্কের লকার থেকে । আগাগাগোড়া গিনি সোনায় তৈরি। শরীর জুড়ে বহুমূল্য মণি মুক্তো হিরের ঝলক। জয়পুর রাজবাড়িতে ষষ্ঠী থেকে দশমী, সোনার দুর্গা ঘিরেই রাজকীয় আয়োজন।

কথিত আছে, ঔরঙ্গজেবের ভয়ে ১৬৬৬ সালে উজ্জ্বয়িনী থেকে পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলে চলে আসেন রাজা জয় সিংহ।

-জঙ্গলমহলে তখন কোল, ভিল, মুন্ডাদের দাপট

Loading...

-যুদ্ধে তাদের হারিয়ে এলাকার দখল নেন জয় সিংহ

-রাজার নামেই এলাকার নাম হয় জয়পুর

-মাটির মূর্তিতে দুর্গাপুজো শুরু করেন রাজা

একবার প্রদীপের আগুনে পুড়ে যায় মূর্তি। রাজার বড় ছেলে কাশীনাথ সিংহ ১৭৭০ সালে সোনার দুর্গায় পুজোর সিদ্ধান্ত নেন।

বেনারস থেকে আসেন দক্ষ কারিগররা। একশো আটটি আকবরি স্বর্ণমুদ্রা ও দামী মণিমুক্তো, হিরে-জহরত দিয়ে তৈরি হয় সোনার দুর্গা। দু’মণ রূপো দিয়ে তৈরি হয় চালচিত্র। ১৯৬৯ সালে সোনার মূর্তি চুরির চেষ্টা হয়। তারপর থেকে ব্যাঙ্কের লকার-ই উমার ঠিকানা।

আখ, কুমড়ো, শশা, সিঙ্গি-মাছ বলির নিয়মে রাজবাড়িতে। বন্দুক ফাটিয়ে শুরু হয় সন্ধিপুজো। পুজোর ক’দিন উমার পাহারায় বসে পুলিশ ক্যাম্প। কড়া নজরদারিতে চলে দুর্গা আরাধনা.........দামী দুর্গা বলে কথা।

First published: 08:38:21 PM Sep 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर