১দিনে ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বিগ্ন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা

Representative Image

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্কদের অনেকেই নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরে ফের একদিনে তেইশ জন করোনা আক্রান্ত হলেন। বর্ধমানের মত ছোট শহরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা। এর আগের দিন বর্ধমান শহরে ৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার আগের দিন অর্থাৎ ৪ নভেম্বর এই শহরে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩৩ জন। এখনও সংক্রমণে রাস টানা না যাওয়ায় চিন্তিত বাসিন্দারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্কদের অনেকেই নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই শহরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলেও দোকানে বাজারে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। টোটো বাসে গা ঘেষাঘেঁষি করে বাসিন্দারা যাতায়াত করছেন। এসবের কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। সংক্রমণ এড়াতে সব সময় দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এদিন পর্যন্ত ১০ হাজার ৫৭৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯ হাজার ৮৮৫ জন ইতিমধ্যেই চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে ৫২৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরে দু নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে করোনা হাসপাতালে, নির্মীয়মান কৃষি ভবনে বর্ধিত করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং হোম ও হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ দিন পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় নতুন করে আক্রান্ত ৬৪ জনের মধ্যে বর্ধমান শহর এলাকাতেই ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। শহরের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এছাড়াও কালনা পৌরসভা এলাকায় তিনজন, দাঁইহাট পৌরসভা এলাকায় একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্ধমান এক নম্বর ব্লকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন চারজন। গলসি এক নম্বর ব্লকেও চারজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কালনা দু নম্বর ব্লকে দুজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলকোট ব্লকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিনজন। পূর্বস্থলী দু'নম্বর ব্লকে তিনজন করোনা পজিটিভ হয়েছেন। রায়না এক নম্বর ব্লকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন দু'জন। রায়না দু'নম্বর ব্লকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ জন। এছাড়াও আউশগ্রাম এক নম্বর ব্লক, ভাতার,গলসি দু'নম্বর ব্লক, জামালপুর, কাটোয়া এক নম্বর ব্লক ও কাটোয়া দু'নম্বর ব্লকে একজন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

Published by:Pooja Basu
First published: