দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আবর্জনা সংগ্রহের জন্য বাড়ি প্রতি দুটি করে বালতি দেবে বর্ধমান পৌরসভা

আবর্জনা সংগ্রহের জন্য বাড়ি প্রতি দুটি করে বালতি দেবে বর্ধমান পৌরসভা
  • Share this:

#বর্ধমান: এবার আবর্জনা সংগ্রহের জন্যে বাড়ি বাড়ি বালতি দেওয়া হবে বর্ধমান শহরে। সবুজ ও নীল রঙের দুটি করে বালতি দেবে পুরসভা। শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেজন্য ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার বালতি পেয়েছে পুরসভা। আরও পঞ্চাশ হাজার বালতি খুব তাড়াতাড়ি এসে পৌঁছবে।

বর্ধমান শহরে সাফাই সমস্যা নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রতিদিন নিয়মিত অনেক এলাকা থেকেই আবর্জনা সরানো হয় না বলে অভিযোগ। সেই সমস্যা মেটাতে ইতিমধ্যেই বেসরকারি সংস্থাকে সাফাই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। এখন বাঁশি বাজিয়ে বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। সেই আবর্জনা ফেলা হয় এলাকার ভ্যাটে। সেখান থেকে গাড়ি করে সেই আবর্জনা তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শহরকে আরও বেশি পরিচ্ছন্ন রাখতেই এই বালতি দেওয়ার পরিকল্পনা।

বর্ধমান শহরে ৫৬ হাজারের মত বাড়ি বা ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রত্যেক বাড়িতে দুটি করে বালতি দেওয়া হবে। একটি নীল ও অন্যটি সবুজ রঙের। নীল রঙের বালতিতে অপচনশীল ও সবুজ রঙের বালতিতে পচনশীল সামগ্রী থাকবে। প্রথম দফায় পঁচিশ হাজার বাড়িতে এই বালতি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,এতোদিন সবজির খোসা থেকে শুরু করে প্লাস্টিক সবই একসঙ্গে সংগ্রহ করা হতো। তাতে তা ফের আলাদা করতে হতো। এবার পরিকল্পিতভাবে আবর্জনা সংগ্রহ করতেই বালতি দেওয়ার ভাবনা।

পুরসভা ঠিক করেছে,শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে কোথাও আর ভ্যাট রাখা হবে না। এখন শহরে ৫৪টি ভ্যাট রয়েছে। তার বদলে আবর্জনা সরাসরি গাড়িতে তুলে দেওয়া হবে। ভ্যাট না থাকলে শহর অনেক বেশি জঞ্জালমুক্ত থাকবে।

অপচনশীল আবর্জনার জন্য শহরে ইতিমধ্যেই তিনটি এলাকায় কম্প্যাক্ট মেশিন কার্যকর রয়েছে। আরও কয়েকটি কম্প্যাক্ট মেশিন বসানো হচ্ছে। তাতে অনেক বেশি অপচনশীল আবর্জনা বহন করা সম্ভব হবে।

পচনশীল আবর্জনা সরাসরি ডাম্পিং গ্রাউন্ডে চলে যাবে। সেই আবর্জনা থেকে তৈরি হবে জৈব সার।

সব মিলিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে আবর্জনা সংগ্রহ করে শহরকে জঞ্জালমুক্ত রাখা ও সেই আবর্জনা পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আবর্জনার পাহাড় জমতে না দেওয়াই লক্ষ্য পুরসভার।

Published by: Pooja Basu
First published: November 23, 2020, 11:30 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर