দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভাবছিলেন কি ভাবে যোগাবেন চিকিৎসার টাকা, ৭ দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেল দুবরাজপুরের ২ পরিবার

ভাবছিলেন কি ভাবে যোগাবেন চিকিৎসার টাকা, ৭ দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেল দুবরাজপুরের ২ পরিবার

৭ দিনের মধ্যে কার্ড করিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই দিয়ে দেন চিকিৎসা করাবার জন্য

  • Share this:

#বীরভূম: আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া দুই পরিবারকে চিকিৎসার জন্য রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করে দিয়ে নজির সৃষ্টি করল বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লক অফিস। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করিয়ে দিয়ে এই সমস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন দুবরাজপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনিরুদ্ধ রায়। তিনি চান গরিব মানুষের পাশে থাকতে। যারা সত্যি টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না তাদেরকে যে করেই হোক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আরো বেশি করে মানুষ যাতে এই পরিষেবা পায় তার জন্য প্রত্যেককেই আহ্বান জানাচ্ছেন এই পরিষেবার নিতে আসার জন্য।

বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের খয়েরবন গ্রামের সুপ্রিয়া গড়াই এর হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেন দুবরাজপুরের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনিরুদ্ধ রায়। সুপ্রিয়া গড়াই দুবরাজপুর ব্লকে এসে জানায় তার শাশুড়ির গলায় ক্যান্সার আক্রান্ত। চিকিতসা করাতে প্রচুর টাকা খরচ। স্বামী গাড়ি চালান। কি করে তার শাশুড়ি কে বাঁচাবে সেই নিয়ে চিন্তায় ছিলেন সুপ্রিয়া দেবী। কিন্তু বিডিওর কাছে আসতেই সুফল মেলে তার। সুপ্রিয়ার স্বামী দীপেন গোপ জানান কোন দিন ভাবিনি মায়ের চিকিৎসা করাতে পারবো। যারা বলছেন যে এই কার্ডের দাম নেই তারা মূর্খের কাজ করছেন। প্রত্যেকেই এই কার্ড করান সুফল পাবেন। সাত দিনের মাথায় কার্ড পেয়ে রওনা দিয়েছেন চিকিতসা করাতে।পাশাপাশি জরুরী ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ইতিমধ্যেই সুফল পেয়েছেন হেতমপুর গ্রামের আমিনা বেগম। তিনি জানান তার স্বামী একজন চাষী। দুর্ঘটনায় তার পায়ে গুরুতর আঘাত পান। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাব কি করে চিন্তায় ছিলাম। দুবরাজপুর ব্লকে এসে নিমেষেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

দুবরাজপুরের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক নিজে জরুরী ভিত্তিতে ৭ দিনের মধ্যে কার্ড করিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই দিয়ে দেন চিকিৎসা করাবার জন্য। গত ২৪ তারিখ দুর্গাপুরে একটা নামি বেসরকারি হাসপাতালে পায়ের অস্ত্রোপচার হয়। বর্তমানে আমিনা বেগমের স্বামী ভালো আছেন।দুই পরিবারই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দুবরাজপুরের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের ভুয়সি প্রশংসা করেন। যারা বলছেন দুয়ারে সরকার এসে কিছু হবে না তারা ভুল বলছেন। আমরা উপকৃত হয়েছি। দুবরাজপুরের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনিরুদ্ধ রায় জানান একটা কার্ডের জন্য যাতে মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই জন্য ব্লকের কর্মীরা দিনরাত কাজ করে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, কারণ রাজ্য সরকারের যা চিন্তা ভাবনা তাতে মানুষ যাতে উপকৃত হয় সেটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা।বিরোধীরা বারবার বলছে ভোটের আগে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি একটা ভাওতাবাজি প্রকল্প কিন্তু দুবরাজপুর ব্লক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে এটা ভাওতা নয়। সরকার মানুষের পাশে আছে ও থাকবে।

Published by: Ananya Chakraborty
First published: January 2, 2021, 9:21 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर