ছাত্রীকে অপহরণ করে খুনের পর মৃতদেহকেই গণধর্ষণ, দোষী সাব্যস্ত ২

ছাত্রীকে অপহরণ করে খুনের পর মৃতদেহকেই গণধর্ষণ, দোষী সাব্যস্ত ২
  • Share this:

#চুঁচুড়া: ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরণ করে খুন। পরে গণঘর্ষণ করে গঙ্গার পাড়ে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়। বলাগড়ের জিরাটের ছাত্রীকে খুন ও গণধর্ষণের মামলায় দু’জনকে দোষী সাব্যস্ত করল চুঁচুড়া আদালত। ২৭ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গণধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড়। হায়দরাবাদে পশু চিকি‍‍ৎসককে গণধর্ষণের পর পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ বছর আগে বলাগড়ের জিরাটেও ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে খুন করে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বরের ঘটনা ৷ গৃহশিক্ষিকার কাছ থেকে পড়ে সাইকেল নিয়ে ফেরার পথে ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে ফোন আসে। পুলিশে অভিযোগ করে ছাত্রীর পরিবার।

২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর, ইট ভাঁটার পিছনে গঙ্গার পাড়ে মাটি খুঁড়ে ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপহরণের পর ছাত্রী চেঁচামেচি করায় তাকে গলা টিপে খুন করে অভিযুক্তরা। মৃত্যুর পর গণধর্ষণ করা হয়। পরে ছাত্রীর দেহ বস্তাবন্দী করে গঙ্গার চরে পুঁতে দেওয়া হয়। খুন ও গণধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে বলাগড় থানার পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে, ৩৬৩- অপহরণ, ৩৬৪/এ- খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ,৩০২- খুন, ৬ পকসো ধারায় মামলা দায়ের হয় ৷ পাঁচ বছর পর খুন ও গণধর্ষণের ঘটনায় বুধবার দুই অভিযুক্ত গৌরব মন্ডল ওরফে শানু এবং কৌশিক মালিককে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অন্য এক অভিযুক্ত জুভেলাইন আদালতে বিচারাধীন। মেয়ের খুনিদের ফাঁসি চান ওই ছাত্রীর বাবা। নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসি ১ ফেব্রুয়ারি। তার আগেই ২৭ জানুয়ারী বলাগড়ে খুন ও গণধর্ষণে অভিযুক্তদের সাজা ঘোষনা হবে। অভিযুক্তদের ফাঁসির দাবিতে অনড় পরিবার।

First published: January 22, 2020, 9:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर