• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • দু’দিনে গ্রেফতার ১৫! বর্ধমানে টিন এজারদের মধ্যে ব্যপক হারে বাড়ছে মাদক আসক্তি

দু’দিনে গ্রেফতার ১৫! বর্ধমানে টিন এজারদের মধ্যে ব্যপক হারে বাড়ছে মাদক আসক্তি

সন্ধে নামলেই ঝাঁ চকচকে জিটি রোডের পাশের গুমটি ঘরে ভিড় করছে কম বয়সী ছেলেমেয়েরা। দলবেঁধে সেখানে চলছে মাদক সেবন।

সন্ধে নামলেই ঝাঁ চকচকে জিটি রোডের পাশের গুমটি ঘরে ভিড় করছে কম বয়সী ছেলেমেয়েরা। দলবেঁধে সেখানে চলছে মাদক সেবন।

সন্ধে নামলেই ঝাঁ চকচকে জিটি রোডের পাশের গুমটি ঘরে ভিড় করছে কম বয়সী ছেলেমেয়েরা। দলবেঁধে সেখানে চলছে মাদক সেবন।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরে টিন এজারদের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে। মাদকের টানে সকাল সন্ধ্যা রাস্তার ধারের বিভিন্ন গুমটির সামনে ভিড় করছেন মোটরবাইকে আসা তরুণ-তরুণীরা। এই প্রবণতা যথেষ্টই উদ্বেগের বলে মনে করছেন শহরের সচেতন বাসিন্দারা। মাদকের খরচ জোগাড় করতে অনেক ছেলে-মেয়ে অসামাজিক কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে বলেও জানা যাচ্ছে। মাদক সেবন ও তা বিক্রি রোধে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে বর্ধমান থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

শহরের জি টি রোড ঝাঁ-চকচকে হয়েছে। সন্ধ্যা নামলেই দ্রুতগতিতে সেই রাস্তায় মোটরবাইক ছোটাচ্ছে টিনএজাররা। তাদের অনেকেই আবার ভিড় করছে শহর লাগোয়া বিভিন্ন গুমটিতে। সেখানেই চোখের ইশারায় তাদের হাতে উঠে আসছে মাদক। বর্ধমান শহরের আলিশা এলাকায় এভাবেই মাদক বিক্রি ও সেবন চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাঁরা বলছেন, শহরের এই এলাকা তুলনামূলক ফাঁকা। তার ওপর সন্ধের সময় কিছু আলো জ্বলছে না। সেই অন্ধকারে সুযোগ নিয়ে সেখানে ভিড় করছে কম বয়সী ছেলেমেয়েরা। দলবেঁধে সেখানে চলছে মাদক সেবন। বর্ধমান থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই অভিযান চালিয়ে ওই এলাকা থেকে দু’দিনে পনেরো জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেআইনিভাবে মদ গাঁজা বিক্রির অভিযোগে যেমন একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ঠিক তেমনই সেসব কেনার অভিযোগেও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। ওই এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান চালানো হবে। শুধু ওই এলাকাই নয়, আর যেসব এলাকায় এই ধরনের কারবার চলছে বলে অভিযোগ আসছে সেখানেও বারে বারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

বর্ধমানের বাসিন্দারা বলছেন, কিছু কিছু শিল্প শহরে মাদক সেবন বাড়লেও সেই কালচার এই শহরে ছিল না। কিন্তু ইদানিং সেই প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। যা খুবই উদ্বেগের। নবীন প্রজন্ম এই প্রবণতায় বেশি করে ঝুঁকে পড়ছে। এতে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তারা যেমন পা বাড়াচ্ছে, তেমনই এর ফলে অসামাজিক কাজকর্মও বাড়ছে। এসব বন্ধে পুলিশ প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ জরুরি। পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান চালালে মাদকের কারবার নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

Published by:Simli Raha
First published: