দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

হোম কোয়ারেনটাইনে ১৪৩ জন! নিয়ম মানছেন কি সকলেই? প্রশ্ন আতঙ্কিত বাসিন্দাদের

হোম কোয়ারেনটাইনে  ১৪৩ জন! নিয়ম মানছেন কি সকলেই? প্রশ্ন আতঙ্কিত বাসিন্দাদের

১৪৩ জনের মধ্যে ৬ জন হোম কোয়ারেনটাইনের সময়সীমা পূর্ণ করেছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: হোম কোয়ারেনটাইনে থাকা ব্যক্তিরা নিয়ম মেনে চলছেন তো? পরিবার পরিজন প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা দূরত্ব বজায় রাখছেন? ঘুরছেন না তো এখানে সেখানে, শপিং মলে! - এমনই প্রশ্ন এখন বর্ধমানের বাসিন্দাদের মনে। তাঁরা বলছেন, বাইরে থেকে আগতরা সঠিক ভাবেই যাতে গৃহ পর্যবেক্ষণে থাকেন তা নিশ্চিত করুক প্রশাসন। তাঁরা যাতে এই সময়ের মধ্যে বাইরে এসে ভাইরাস ছড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করা হোক। করোনা আক্রান্ত দেশগুলি থেকে অনেকেই পূর্ব বর্ধমান জেলা তথা বর্ধমান শহরে এসেছেন। তাঁদের নিয়েই এখন চিন্তিত আতঙ্কিত বাসিন্দারা। জেলা প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, বিদেশ থেকে আসা সকলের ওপরই প্রশাসনের নজর রয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলায় করোনা আক্রান্ত চিন সহ অন্যান্য দেশ থেকে এখনও পর্যন্ত ১৪৩ জন এসেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৪০ জন রয়েছেন বর্ধমান শহরেই। তাদের কোনও কোনও প্রতিবেশি বলছেন, বিদেশ থেকে আসা এই ব্যক্তিদের অনেকে হোম কোয়ারেনটাইনে নামেই রয়েছেন। গৃহ পর্যবেক্ষণে থাকার পরিসরই নেই অনেকের ঘরে। অনেকে প্রশাসনকে হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার কথা বললেও পাড়ার দোকানে, শপিং মলে, রেল স্টেশন টিকিট ক্যানসেল করতে চলে যাচ্ছেন। অনেকে বাড়িতে থাকছেন, তবে তারা পরিবারের লোকদের কাছাকাছি আসছেন। পরিবারের লোকরা বাজার অফিস সবই করছে। এর থেকেই কলকাতার মতো এই শহর ও রাজ্য জুড়ে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ১৪৩ জনের মধ্যে ৬ জন হোম কোয়ারেনটাইনের সময়সীমা পূর্ণ করেছেন। অর্থাৎ ১৪ দিন পার হয়ে গেলেও তাদের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয় নি। বাকিরা কিন্তু এখনও বিপদমুক্ত নন। তাই নিজেদের এবং সকলের স্বার্থে তাদের আলাদা থাকাই বাঞ্ছনীয়। প্রশাসনের একার পক্ষে তাদের সর্বক্ষণের নজরদারিতে রাখা সম্ভব নয়। এজন্য মানসিকতার পরিবর্তন ও সামাজিক সচেতনতা বোধ জরুরি। তবে পুলিশ, পুরসভা, পঞ্চায়েতকেও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: March 20, 2020, 10:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर