corona virus btn
corona virus btn
Loading

বন্ধ কোন্নগরের পুরনো কালীপুজো, করোনার জেরে মন্দিরেও আসা নিষেধ 

বন্ধ কোন্নগরের পুরনো কালীপুজো, করোনার জেরে মন্দিরেও আসা নিষেধ 

১৩১ তম বর্ষে বন্ধ হল প্রাচীন পুজো। কোন্নগরের শকুন্তলা পুজো বন্ধ হল করোনা সংক্রমণের প্রভাবে।

  • Share this:

#হুগলি: বহু বছরের প্রাচীন পুজো এবার বন্ধ করোনার প্রভাবে। আশা ছিল ১৩১তম বর্ষে ধুমধাম করে প্রতিবছরের মতই পুজো হবে কোন্নগরে। শুধু পুজোই নয়, পুজোর অনেকদিন আগে থেকেই যে ব্যাস্ততা থাকে তা একেবারেই নেই এবছরে। পুজোকে ঘিরে মেলাও বন্ধ এই বছর। প্রাচীনকালের পুজোয় রীতি মেনে ছাগ বলিদান হয়।

বৈশাখ মাসে প্রতি বছর এই পুজো ঘিরে থাকে সাজো সাজো রব হুগলি জেলায়। পুজো সাধারণত শনিবারই করা হয়। পুজোর আগের দিন শুক্রবার কোন্নগরের শকুন্তলা মন্দির সংলগ্ন গঙ্গার ঘাটে ভক্তদের সমাগম হয়, কালীর বেদীতে জল দেবার জন্য থাকে লম্বা লাইন। পরের দিন একদিকে যেমন পুজোর জন্য ভক্তদের ভিড়, অন্যদিকে মেলায় লোকের জমায়েত হয় প্রচুর। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে সবাই গৃহ বন্দী। সরকারের তরফে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে ঘরে থাকতে। এই অবস্থায় লকডাউনের মধ্যে যখন সবই স্তব্ধ, পুজো আর হয় কী করে তাও বন্ধ। শনিবার দেখা গেল অন্য মন্দিরের ছবি। যে মন্দিরে প্রতিমা দর্শনের জন্য লোকের ঠেলাঠেলি লেগে থাকে এই দিনটায়, তা পুরোপুরি স্তব্ধ।

লকডাউনের মধ্যেও ভক্তদের ভিড় যাতে না হয় তার জন্য মন্দিরের চারদিকে দেওয়া হল কাপড়। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বাঁশের ব্যারিকেডও দেওয়া হয়েছে। শুধুই মন্দির চত্বর নয়, মন্দিরের কাছে গঙ্গা ঘাটগুলিতেও বাঁশের ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে ভক্তের আনাগোনা বন্ধ করে পুলিশের টহল ছিল মন্দির চত্বরে। যদিও ১৩১ বছরের পুজোয় ভক্ত সমাগম বন্ধ করে হয় শুধুমাত্র ঘট পুজো। জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক ও স্থানীয় বাসিন্দা স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বন্ধ ধর্মস্থানগুলো। বিভিন্ন জায়গায় থেকে আসা ভক্তদের জমায়েত বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত, এই ভাবনাটি সাধুবাদ যোগ্য। এদিন অনেকেই মন্দির চত্বরে এসেও ফিরে যান এলাকার বাসিন্দারা। মন্দিরের একটি লিখিত আবেদন দেখেই তারা বাড়ি চলে যান। অনেকেই বললেন, এই বছর নয় পরের বছর।

Susovan Bhattacharjee

Published by: Bangla Editor
First published: May 10, 2020, 12:23 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर