Home /News /south-24-parganas /
ইনস্টিটিউট অফ ব্র্যাকিশ ওয়াটার অ্যাক‍্যোয়াকালচারের উদ্যোগে কাকদ্বীপে শুরু হল দ্বিস্তরীয় মাছচাষের কাজ

ইনস্টিটিউট অফ ব্র্যাকিশ ওয়াটার অ্যাক‍্যোয়াকালচারের উদ্যোগে কাকদ্বীপে শুরু হল দ্বিস্তরীয় মাছচাষের কাজ

দ্বিস্তরীয়

দ্বিস্তরীয় মাছ চাষের সফল উৎপাদন

কাকদ্বীপে কেন্দ্রীয় মৎস গবেষণা কেন্দ্রের উদ‍্যোগে শুরু হল দিস্তরীয় মাছ চাষ। এই মাছ চাষের মাধ‍্যমে একই পুকুরে চাষ করা হচ্ছে নোনা ও মিষ্টি জলের মাছ। 

  • Share this:

    #দক্ষিণ ২৪ পরগনা:  কাকদ্বীপে ইনস্টিটিউট অফ ব্র্যাকিশ ওয়াটার অ্যাক‍্যোয়াকালচারের কাকদ্বীপ কেন্দ্রীয় মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের উদ‍্যোগে শুরু হল দ্বিস্তরীয় মাছচাষের কাজ। কাকদ্বীপের বুদ্ধপুর গ্রামে এই উপলক্ষ‍্যে ৬ মাস ধরে চলছিল প্রশিক্ষণের কাজ। ওই গ্রামেরই ১০ টি পরিবারকে নিয়ে এই কাজ করা হচ্ছিল। মূলত দ্বিস্তরীয় মাছচাষের লক্ষ হল একই পুকুরে নোনা জলের মাছ এবং মিষ্টি জলের মাছ চাষ করে আর্থিকভাবে মৎসচাষীদের লাভবান করা।

    একটি বড়ো পুকুরের মাঝে একটি খাঁচা করে তার মধ‍্যে নোনা জলের মাছ চাষ করা হয়। কাকদ্বীপে সেজন‍্য খাঁচার মধ‍্যে ব‍্যবহার করা হয়েছিল নোনা ট‍্যাংরা। এই মাছ খুব দামি মাছ বলে পরিচিত। এবং খাঁচার বাইরে তেলাপিয়া এবং পারশে মাছ রেখে পরীক্ষামূলকভাবে এই কাজ করা হচ্ছিল। যে কাজের সফলতা মিলেছে বলে জানিয়েছেন কাকদ্বীপ মৎস গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী প্রেম কুমার।৬ মাস ধরে এই প্রকল্পের কাজ চলার পর দেখা গিয়েছে ২ কাঠা পুকুর থেকে ৩০ থেকে ৪০ কেজি তেলাপিয়া মাছ ও ৫ থেকে ৬ কিলো নোনাট‍্যাংরা উৎপাদন করা যাচ্ছে। অভিনব এই সাফল‍্যে খুশি কাকদ্বীপ মৎস গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা।

    Kakdwip Research Centre of CIBA

    এই প্রকল্পের সাফল‍্য লাভের পর ইনস্টিটিউট অফ ব্র্যাকিশ ওয়াটার অ্যাকোয়াকালচারের কাকদ্বীপ কেন্দ্রীয় মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষজনকে এই সমস্ত মাছ এবং মাছচাষের উপকরণ দিয়ে সাহায‍্য করা হচ্ছে । এর ফলে তারা আগামীতে আর্থিকভাবে সাবলম্বী হতে পারে। প্রাথমিকভাবে কাকদ্বীপের বুদ্ধপুর গ্রামের প্রায় ১০টি তপশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারকে মাছের চারা, খাদ্য, জাল, ও খাঁচা সহ মৎস্য চাষের বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন - পুরীর আদলে তৈরি হচ্ছে ৩০ ফুটের রথ, বেলঘড়িয়ায রথতলায় এবছর জমজমাট রথযাত্রা

    এছাড়াও তাদেরকে এই দ্বিস্তরীয় মাছচাষের কৌশল, নোনা জলে মাছের চাষ এবং খাঁচা তৈরির বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুকুর তৈরির উপায়, মাছের বৃদ্ধির পরিমাপ করা সহ একাধিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।দ্বিস্তরীয় এই মাছ চাষের কাজ সফল হওয়ায় আগামীতে সুন্দরবনের একাধিক এলাকায় এইভাবে মাছ চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে মৎস গবেষণা কেন্দ্রের। এই পরিকল্পনা সফল হলে আগামীতে মাছ চাষের ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে কাকদ্বীপ মৎস গবেষণা কেন্দ্র তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।

    ঠিকানা: কাকদ্বীপে ইনস্টিটিউট অফ ব্র্যাকিশ ওয়াটার অ্যাক‍্যোয়াকালচার

    কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগণা

    পিন: ৭৪৩৩৪৭

    নবাব মল্লিক

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: Kakdwip, South 24 Parganas

    পরবর্তী খবর