ফাঁস হল বেগুনকোদরের রহস্য, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য– News18 Bengali

ফাঁস হল বেগুনকোদরের রহস্য, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

পুরুলিয়ার বেগুনকোদর স্টেশন। ভূতুড়ে বলে যার কুখ্যাতি বাংলাজুড়ে। রাঁচি ডিভিশনের এই স্টেশনে তেনাদের না কি এমনই উপদ্রব, যে দিনের বেলাতেও যেতে ভয় পায় লোক।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Dec 30, 2017 09:56 AM IST
ফাঁস হল বেগুনকোদরের রহস্য, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিজস্ব চিত্র
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Dec 30, 2017 09:56 AM IST

#পুরুলিয়া: পুরুলিয়ার বেগুনকোদর স্টেশন। ভূতুড়ে বলে যার কুখ্যাতি বাংলাজুড়ে। রাঁচি ডিভিশনের এই স্টেশনে তেনাদের না কি এমনই উপদ্রব, যে দিনের বেলাতেও যেতে ভয় পায় লোক। কিন্তু কোন ভূতের আস্তানা অদ্ভূতুড়ে এই স্টেশনে? তার খোঁজেই যন্ত্রপাতি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাজির হয়েছিলেন বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা। জানেন কি, রাত জেগে কাদের দেখা মিলল?

টিকিট কাউন্টারের ভিতরে টিমটিমে আলো। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। ঝিঁঝিপোকার ডাকের মধ্যেই কানে আসে অন্য কিছু অদ্ভূতুড়ে শব্দ। হঠাৎ যেন আশপাশ দিয়ে কেউ চলে যায়।

পুরুলিয়া শহর থেকে প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরে রাঁচি ডিভিশনের হল্ট স্টেশন বেগুনকোদর। সূর্য ডুবতেই না কি এখানে অশরীরিদের আনাগোনা লেগে থাকে। পার হয়ে যায় রাজধানী সহ অনেক এক্সপ্রেস। কিন্তু ট্রেনের শব্দ মিলিয়ে যেতেই ফের অন্ধকারে ঢাকে স্টেশন চত্বর। লোকের মুখে মুখে ঘোরে, খুন হয়ে যাওয়া স্টেশন মাস্টার ও তাঁর স্ত্রীর আত্মাই নাকি এখানে দাপিয়ে বেড়ায়।

জল্পনা-রটনা অনেকদিনের। শেষমেশ ভূতের খোঁজে বৃহস্পতিবার সন্ধেবেলায় স্টেশনে ঘাঁটি গাড়েন বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা। সঙ্গে ছিল রেল ও স্থানীয়পুলিশ। শীতের রাত আরও ছমছমে করে তোলে স্টেশনের পরিবেশ।

সময় গড়াতে থাকে। কিন্তু েজলা বিজ্ঞানমঞ্চের সম্পাদক নয়ন মুখোপাধ্যায় ও তাঁর সহকর্মীরা, যাদের অপেক্ষায় ছিলেন তাদের আর দেখা মেলে না। হঠাৎ সামনে এসে হাজির আপাদমস্তক চাদরে ঢাকা দুই শরীর। না, অশরীরি নয়। তাঁরা রেলের ট্র্যকম্যান।

Loading...

তাও হাল ছাড়েননি বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা।

ভোর ৪টে

ভোরের দিকে ঘটে অদ্ভুত ঘটনা। বাইরে হাড়হিম করা ঠাণ্ডা। আর জমাট বাঁধা অন্ধকার। হঠাৎ স্টেশনের পরিবেশ বদলে যায়। বাইরে থেকে ভেসে আসে অদ্ভূত সব আওয়াজ। যেন অনেক শেয়াল আর কুকুর একসঙ্গে ডাকছে। চোখে পড়ে অনেকটা দূরে কিছু লাল আলো। আলো ও শব্দ লক্ষ্য করে ধাওয়া করেন বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা। তারপরই পড়িমরি দৌড়ে পালানোর শব্দ। কাউকে চোখে না পড়লেও তাঁরা দেখতে পান ঝোপঝাড়ের আড়ালে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাস। পড়ে রয়েছে খালি মদের বোতল।

তাহলে কি অসামাজিক কাজকর্মের জন্যই ভূতের ভয় রটানো? দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিজ্ঞানমঞ্চ।

First published: 09:56:00 AM Dec 30, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर