মনমোহন-আমলেও ৩ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, হঠাত্‍‌ দাবি রাহুলের

মনমোহন-আমলেও ৩ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, হঠাত্‍‌ দাবি রাহুলের
রাহুল গান্ধি ও নরেন্দ্র মোদি (বাঁ দিক থেকে)-- ফাইল ছবি

রাজস্থানে নির্বাচনের প্রাক্কালে রাহুলের দাবি, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক মনমোহন সিং-এর আমলেও হয়েছিল৷ একবার নয়, তিন বার৷ কিন্ত‌ু সেনার পরামর্শেই বিষয়টিকে গোপন রাখা হয়৷ অর্থাত্‍‌ রাহুল বকলমে স্বীকার করলেন, ২০১৬ সালে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল৷

  • Share this:

#উদয়পুর: ২০১৬ সালের ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী সভায় কংগ্রেসকে খোঁচা দিচ্ছেন, তখন সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইককেই পাল্টা হাতিয়ার করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি৷ রাজস্থানে নির্বাচনের প্রাক্কালে রাহুলের দাবি, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক মনমোহন সিং-এর আমলেও হয়েছিল৷ একবার নয়, তিন বার৷ কিন্ত‌ু সেনার পরামর্শেই বিষয়টিকে গোপন রাখা হয়৷ অর্থাত্‍‌ রাহুল বকলমে স্বীকার করলেন, ২০১৬ সালে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল৷

উদয়পুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে রাহুল বলেন, 'আপনারা জানেন না হয়তো, নরেন্দ্র মোদির মতো প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ছাড়পত্র দিয়েছিলেন৷ পাকিস্তানকে জবাব দিতে ৩ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল সেনা৷ কিন্ত‌ু সেনা চেয়েছিল, এই হামলার বিষয়টি গোপন রাখতে, তাদের নিজেদের জন্য৷ মোদিজি আসলে দেশের সেনা সম্পদকেও রাজনৈতিক লাভের জন্য ব্যবহার করছেন৷'

আরও ভিডিও: দেখুন ২০১৬-এ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক যখন হল, বিশেষ ফুটেজ

মধ্যপ্রদেশে হার নিশ্চিত বুঝে হঠাত্‍‌ নরেন্দ্র মোদি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রসঙ্গ তুললেন৷ মানুষের নজর ঘোরাতে৷ তাঁর কথায়, 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক সম্পূর্ণ ভাবেই সেনার সিদ্ধান্ত৷ মোদিজি সেনার অন্দরে ঢুকে সেনার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন৷ সার্জিক্যাল স্ট্রাইক গোপন রাখলেই লাভজনক হত৷ কিন্ত‌ু প্রধানমন্ত্রী তা চাননি৷ উত্তরপ্রদেশে ভোটে জেতার জন্য মোদিজি সেনাকেই ব্যবহার করেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে৷'

রাহুলের কটাক্ষ, 'প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, সেনার কাজকর্ম সেনার চেয়ে তিনি ভালো জানেন৷ বিদেশমন্ত্রকও তিনি বিদেশমন্ত্রীর চেয়ে ভালো বোঝেন, কৃষি মন্ত্রকও তিনি কৃষিমন্ত্রীর চেয়ে ভালো বোঝেন৷ কারণ, তিনি মনে করেন, তিনি সবজান্তা৷'

First published: December 1, 2018, 1:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर