হোম /খবর /পূর্ব বর্ধমান /
সুদূর দক্ষিণের ফল চাষ হচ্ছে বাংলার মাটিতে, একবার চাষে ছ'মাস লাভ করছেন কৃষক

East Bardhaman News: প্যাশান ফ্রুটের চাষ বর্ধমানে, লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা

X
নিজস্ব [object Object]

প্যাসন ফ্রুট বা ফল চাষ হচ্ছে বর্ধমানেও। বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের এক চাষী এই ফলের গাছ লাগিয়েছেন নিজের বাড়িতেই। তার ঘরের চালে বেড়ে উঠেছে এই প্যাশন ফ্রুটের গাছ। 

  • Local18
  • Last Updated :
  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: বর্ধমান জেলা শস্যগোলা নামে পরিচিত। তবে বর্তমানে এখানে অন্যান্য চাষেরও প্রবণতা বেড়েছে। শুধু ধান চাষ করেই যে অর্থ উপার্জন করছেন চাষীরা তা নয়, ধানের পাশাপাশি অন্যান্য অনেক কিছুই চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা। প্যাশন ফল একটি স্বল্প পরিচিত প্রবর্তনযোগ্য ফল। বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে এই ফলের গাছ বেশি দেখা যায়, এছাড়াও কেরলে এই ফল অত্যন্ত পরিচিত। তবে এখন সেই প্যাসন ফ্রুট বা ফল চাষ হচ্ছে বর্ধমানেও। বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের এক চাষী এই ফলের গাছ লাগিয়েছেন নিজের বাড়িতেই। তার ঘরের চালে বেড়ে উঠেছে এই প্যাশন ফ্রুটের গাছ।প্যাশন ফ্রুট বা ফল হল প্রধানত মাচা জাতীয়। তাই তিনি ঘরের সামনে লাগানো ছাড়া গাছ বাড়তে বাড়তে তার ঘরের চালে ছড়িয়ে পড়েছে। মূলত এই ফ্যাশন ফ্রুটের বা ফলের একটি গাছ ফল দেয় টানা ছয় মাস।খুব সুস্বাদু , ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটির উপকারিতা অনেক। প্যাশন ফলের গাছ দীর্ঘপ্রসারী।প্যাশন ফলের ভেতরের গাত্রে হলুদাভ রসপূর্ণ লালার মতো জিনিস থাকে। এগুলিই জুস করে বা অন্য কোনও ভাবে খাওয়া যেতে পারে। এই প্যাশন ফলের ওজন কমে যতই ফলটি পাকতে থাকে। জলে মিশিয়ে খুবই সুস্বাদু রস তৈরি করা যায় এই ফল দিয়ে। এটিকে অন্যান্য জুসের সঙ্গেও মিশিয়ে খাওয়া যায়। আইসক্রীম, জুস, স্কোয়াশ, জ্যাম ও জেলি প্রস্তত করা যায় এই ফল দিয়ে।

আরও পড়ুন: Alipurduar News: নেশার সামগ্রী সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল জয়গাঁ পুলিশএই ফলের রস যেমন সুস্বাদু তেমন পুষ্টিকরও। প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন সি এতই বেশি যে ফলে, যা একজন মানুষের নিত্যদিনের ভিটামিন সির চাহিদা মেটাতে পারে। এই প্যশান ফলে গাছ লাগানোর ১২ থেকে ২০ মাসের মধ্যেই সধারণত ফুল ও ফল পাওয়া যায়। ১৮ থেকে ২০ মাস বয়সের একটি গাছে ১০০ থেকে ২০০টি ফল পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: Howrah News: বাগনান চন্দ্রপুরে সাপুড়েদের কাছ থেকে উদ্ধার জোড়া অজগর

পালিশ গ্রামের প্যাশন ফুল চাষি শেখ আশরাফ আলী বলেন, এক বছরে এত ফলন পাবো ভাবিনি। একটা তিন ইঞ্চির চারা থেকে এত বড় গাছ হয়ে যাবে ভাবতেই পারি নি। ফলের দানা গুলি জমিতে ফেলেছি। দেখা যাক সেখান থেকে নতুন গাছ হয় কিনা। যদি নতুন চারা জন্মায় তাহলে সেগুলিকে বিক্রি করার চেষ্টা করব।

Malobika Biswas

Published by:Arjun Neogi
First published:

Tags: East Bardhaman news