Home /News /purba-bardhaman /
East Bardhaman News: লোন নেওয়া হয়নি, তবুও কাটছে ইএমআই ! সামনে এল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ভয়ানক জালিয়াতি

East Bardhaman News: লোন নেওয়া হয়নি, তবুও কাটছে ইএমআই ! সামনে এল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ভয়ানক জালিয়াতি

প্রতীকি ছবি

প্রতীকি ছবি

East Bardhaman News: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রীদের সই জাল করে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক লোন তুলে নেওয়ার অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানে 

  • Share this:

    #পূর্ব বর্ধমান: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রীদের সই জাল করে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক লোন তুলে নেওয়ার অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানে। গ্রেফতার হল দুই মহিলা। ধৃতদের নাম বকুল চক্রবর্তী ও চুমকি সাহা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া এক নং ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের বরমপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। তারা স্থানীয় পঞ্চায়েতের কমিউনিটি সার্ভিস প্রোভাইডার বা মোটিভেটরের দায়িত্বে রয়েছেন। কাটোয়া থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আলমপুর পঞ্চায়েতের বরমপুর ও দেবগ্রাম এই দুই গ্রাম মিলে ১৯ টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। ওই গোষ্ঠীগুলির পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে মূলত বকুল চক্রবর্তী ও চুমকি সাহার উপর। অভিযোগ, নিজেদের পদাধিকার প্রয়োগ করে ও ব্যাঙ্কের একাংশকে হাত করে কয়েকটি গোষ্ঠীর দলনেত্রীদের সই জাল করে প্রায় ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা লোন তুলে নেয় ওই দুই মহিলা।

    সম্প্রতি স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আ্যকাউন্ট থেকে কিস্তির টাকা কাটা শুরু হতেই বিষয়টি জানাজানি হয়। আর তারপরই গোষ্ঠীর বেশকিছু মহিলা বকুল চক্রবর্তী ও চুমকি সাহাকে ঘেরাও করে ব্যাঙ্ক লোনের টাকা পরিশোধের দাবি জানাতে শুরু করে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রায় ৩০০ জন মহিলা একটি ব্যঙ্কের কাটোয়ার শাখায় এসে তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ব্যঙ্কের ম্যানেজার ও ফিল্ড অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে চান। বিক্ষোভ চরমে উঠলে পুলিশ সেখানে হাজির হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে তাদের বোঝানোর পর মহিলারা কাটোয়া এক বিডিওর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই দুই মহিলাকে গ্রেফতার করে।

    এ নিয়ে কাটোয়া এক নং বিডিও আসিফ ইকবাল বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্য ও পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত করে দেখছে এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা। স্থানীয় এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রী রেখা ঘোষ বলেন, আমরা অনেক পরে জানতে পেরেছি। গত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে গোষ্ঠীর নামে আড়াই লক্ষ টাকা লোন উঠে গিয়েছে। কিন্তু আমরা কিছুই জানতাম না। পরে ব্যাঙ্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তাঁদের সই জাল করে টাকা তোলা হয়েছে। ব্যঙ্কের একাংশকে হাত করে বকুল চক্রবর্তী ও চুমকি সাহা এই জালিয়াতি করেছে।

    Malobika Biswas

    Published by:Piya Banerjee
    First published:

    Tags: Bardhaman, Bardhaman news

    পরবর্তী খবর