Home /News /purba-bardhaman /
East Bardhaman Hoarding Controversy : '‌লাইন মারতে শিখুন' হোর্ডিং ঘিরে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক তুঙ্গে

East Bardhaman Hoarding Controversy : '‌লাইন মারতে শিখুন' হোর্ডিং ঘিরে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক তুঙ্গে

বিজ্ঞাপনী [object Object]

East Bardhaman Poster Controversy : হোর্ডিংয়ে লেখা  ‘‌লাইন মারতে শিখুন’‌ বর্ধমান শহরের রাস্তায় থাকা এই হোর্ডিং চোখ টানছে পথচলতি মানুষের

  • Share this:

    পূর্ব বর্ধমান : হোর্ডিংয়ে লেখা '‌লাইন মারতে শিখুন' ৷‌ বর্ধমান শহরের রাস্তায় থাকা এই হোর্ডিং চোখ টানছে পথচলতি মানুষের। আর এ নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই বিভ্রান্তিকর শব্দের টিজারে ছেয়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমান শহর। এ কি শুধুই বিজ্ঞাপনী চমক? নাকি অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে সাধারণ মানুষের নজর টানতে বিজ্ঞাপনী চমক! উঠছে প্রশ্ন। বর্ধমানের মতো শিক্ষা, সংস্কৃতিতে কার্যত প্রথম সারিতে থাকা শহরে এই বিজ্ঞাপনী চমকের আড়ালে অশ্লীল শব্দের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আমজনতা।

    অবিলম্বে ওই বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং সরানোর দাবিও জানাছেন শহরবাসী । বেশ কিছু যুবক যুবতীরা জানান, বর্ধমানে এ রকম ধরনের ঘটনা এই প্রথম দেখা গেল । ছোট ছেলেমেয়েদের এই লেখা দেখে কৌতূহল বাড়ছে । এর ফলে সঙ্গে থাকা অভিভাবক এবং অভিভাবিকাদের ছেলেমেয়েদের কাছে প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে । কিছু বয়স্ক মানুষ এই লেখা দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছেন । রাস্তায় যেতেই বড় বড় করে লেখা ফ্লেক্স এর উপর 'লাইন মারতে শিখুন' এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা বর্ধমান শহর জুড়ে।

    আরও পড়ুন : টাকা জমা ও তোলা যাবে না, সিউড়ির ব্যাঙ্কের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি আরবিআই-এর

    আরও পড়ুন : ছুটির বিকেলে দিঘার সৈকতে জীবন্ত ডলফিন, পর্যটকদের মধ্যে সেলফি তোলার হিড়িক

    শহরবাসীদের একাংশের দাবি, প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার । পুরসভার নজর দেওয়া উচিত । তবে কে বা কারা এই হোর্ডিং লাগালো এই নিয়ে শহর বর্ধমানে রয়েছে চাপানউতোর । ফলে সব মিলিয়ে এই আপত্তিকর পোস্টার ঘিরে উঠছে নানান প্রশ্ন । স্থানীয় বাসিন্দা অস্মিতা সিনহা, সঞ্জয় বিশ্বাসরা বলেন, " এই প্রথম বার বর্ধমান শহরে এই রকম হোর্ডিং, পোস্টার চোখে পড়ল। তবে এ সব কখনওই কাম্য না । যে বা যারা এই ধরনের হোর্ডিং লাগিয়েছেন তাঁরা অবিলম্বে এই সব পোস্টার খুলে ফেলুক । কারণ যুব সমাজ এই ধরনের লেখা ভাল ভাবে নেবে না । ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা রাস্তায় বেরিয়ে এসব দেখছে । এতে আমাদের সমাজেরই ক্ষতি । "

    Malobika Biswas

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: East Bardhaman

    পরবর্তী খবর