গুরুঙের গোপন ডেরায় পুলিশ, কীভাবে পালালেন খতিয়ে দেখতেই চলে তল্লাশি

লিম্বুবস্তিতে ঘাঁটি গেড়েই শুক্রবার সিরুবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় গুরুং বাহিনী।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2017 10:20 AM IST
গুরুঙের গোপন ডেরায় পুলিশ, কীভাবে পালালেন খতিয়ে দেখতেই চলে তল্লাশি
নিজস্ব চিত্র
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Oct 16, 2017 10:20 AM IST

#দার্জিলিং: লিম্বুবস্তিতে ঘাঁটি গেড়েই শুক্রবার সিরুবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় গুরুং বাহিনী। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পর, গতকাল বিমল গুরুঙের সেই গোপন ডেরায় হানা দেয় পুলিশ। কোথা দিয়ে, কীভাবে ফের পালিয়ে গেলেন গুরুং? তা খতিয়ে দেখতেই চলে তল্লাশি। সেই আস্তানার এক্সক্লুসিভ ছবি ইটিভি নিউজ বাংলায়।

দীর্ঘদিন পর পাহাড়ে ঢুকেছেন বিমল গুরুং। সেই খবর পেয়েই শুক্রবার ভোরে হানা দেয় পুলিশ। কিন্তু, গুরুংবাহিনীর সিরুবাড়ি ক্যাম্প থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ছুটে আসে।

গুলিতে নিহত হন এসআই অমিতাভ মালিক। ঠিক সে সময় কোথায় ছিলেন গুরুং? পুলিশসূত্রে খবর, সেখান থেকে খুব কাছে লিম্বুবস্তিতেই ঘাঁটি গেড়েছিলেন ওই মোর্চা নেতা। বিমল গুরুং যাতে নিরাপদে থাকেন সে জন্য লিম্বুবস্তির আগে সিরুবাড়িতে ক্যাম্প করেছিল তাঁর দলবল। শুক্রবার পুলিশ ঢোকে সে পথেই। ঘটনার আটচল্লিশ ঘণ্টা পর গুরুঙের সেই গোপন আস্তানায় ঢুকল পুলিশ।

নেতা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যেতে পারেন। এই আশঙ্কা থেকেই গুলি ছোড়ে গুরুংবাহিনী। সুযোগ পেয়ে দলবল নিয়ে রঙ্গিত নদী পেরিয়ে পালান বিমল গুরুং।

ক্যাম্পের খুব কাছেই রঙ্গিত নদী। শুক্রবার ভোরে সঙ্গীদের সাহায্যে জঙ্গলের মধ্যে সরু রাস্তা ধরে নদীর ধারে পৌঁছে যান বিমল গুরুং। লিম্বুবস্তির ওই ডেরা থেকে পালানোর সময় ভৌগলিক অবস্থানের সুযোগই নিয়েছিলেন গুরুং। রবিবার, সেই রাস্তা ধরে পুলিশও পৌঁছল রঙ্গিতের পাড়ে।

লিম্বুবস্তির ডেরায় বসবাসের চিহ্ন স্পষ্ট। গুরুঙের দলবলের পরিত্যক্ত পোশাক আশাক মিলেছে। মিলেছে তাড়াহুড়োয় ফেলে যাওয়া কিছু টাকা পয়সাও। পুলিশের সঙ্গে লুকোচুরি খেলা। গুরুঙের ভুলের অপেক্ষায় পুলিশ।

First published: 10:20:14 AM Oct 16, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर