রাম রহিমের প্রাসাদে পুলিশি তল্লাশি, দেখুন বাবার বিলাশবহুল বাড়ির ছবি

পাঁচকুলায় বাবা রাম রহিমের প্রাসাদে তল্লাশি চালাল পুলিশ। মঙ্গলবার সেক্টর তেইশে, এসিপি-র নির্দেশে প্রাসাদে তল্লাশি চালানো হয়।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Aug 30, 2017 06:14 PM IST
রাম রহিমের প্রাসাদে পুলিশি তল্লাশি, দেখুন বাবার বিলাশবহুল বাড়ির ছবি
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Aug 30, 2017 06:14 PM IST

#রোহতক: পাঁচকুলায় বাবা রাম রহিমের প্রাসাদে তল্লাশি চালাল পুলিশ। মঙ্গলবার সেক্টর তেইশে, এসিপি-র নির্দেশে প্রাসাদে তল্লাশি চালানো হয়। বিলাশবহুল ডাইনিং রুম থেকে বেডরুম, রান্নাঘর, বাথরুম। তল্লাশি চলে সর্বত্র। বন্ধ দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। পাঁচকুলায় এলে এই প্রাসাদেই থাকতেন রাম রহিম। গত ২৫ তারিখ ধর্ষণকাণ্ডে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাঁচকুলা। পুলিশের দাবি, সেদিন বাবার ভক্তরা যে লাঠি-তরোয়াল নিয়ে হামলা চালিয়েছিল, সেগুলি এই প্রাসাদেই মজুত ছিল।

আদালতের রায়ের পর এখন শ্রীঘরই বাবার নয়া ডেরা। বৈভবের প্রাসাদে থাকাই ছিল অভ্যাস। জেলে তাই প্রথম রাতে দু'চোখের পাতা এক করতে পারলেন না গডম্যান রাম রহিম। কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক এখন দিনমজুরি পাবেন চল্লিশ টাকা।

আপাতত দু'হাজার সাঁইত্রিশ সাল পর্যন্ত জেলেই ঠাঁই। সাজা পেয়ে রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে রাম রহিমের।

ডেরা সাচ্চা সওদার প্রধান থাকার সময় সম্পত্তির অঙ্কের তো মাপকাঠি ছিল না। জেলে অবশ্য বদলেছে হিসেব।

কম শিক্ষিত হওয়ায় জেলে কায়িক শ্রম করতে হবে বাবা-কে। গায়ে গতরে খাটতে হবে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত। অন্য বন্দিদের খাটিয়া বা চেয়ার বুনতে হবে । পছন্দ না হলে হয় বাগান পরিচর্যা বা জেলের বেকারিতে বিস্কুট তৈরি।এতদিন এসি রুমে থেকেছেন। জেলের সেলে অবশ্য অন্য বন্দিদের মতোই কাটাতে হচ্ছে বাবকে।

Loading...

সুনারিয়া জেলে রয়েছে আটজন গ্যাংস্টার আর পঞ্চাশজন দাগী অপরাধী । নিরাপত্তার জন্য পৃথক একটি সেলে রাখা হয়েছে বাবাকে। খাবারও মাপা। পাউরুটি আর চায়ে সারতে হবে প্রাতরাশ । দুপুরে বরাদ্দ পাঁচটা রুটি আর ডাল। সন্ধেবেলায় চা আর রাতে রুটি-সবজি। সারাদিনে আড়াইশো গ্রামের বেশি দুধ পাবেন না বাবা। গডম্যানকে দেওয়া হয়েছে আলাদা প্লেট আর মগ।

জেলে বাবাকে ছাড়তে হয়েছে গডম্যানের খোলস। পরতে হয়েছে কয়েদিদের পোশাক। সঙ্গে আনা লাল সুটকেস, বাড়ি থেকে আনা পোশাক বা ওষুধের মায়া ত্যাগ করতে হয়েছে সবকিছুরই। অতীতে রকস্টার বাবাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দিত হরিয়ানা সরকার। সুনারিয়া জেলে রাম রহিমের নিরাপত্তার দাযিত্বে দুই সিনিয়র পুলিশ অফিসার। আর সেলের বাইরে দাঁড়িয়ে বাবার উপরে নজর রাখবেন দুজন সান্ত্রী।

First published: 06:14:16 PM Aug 30, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर