পুরনো সেই পুজোর কথা, যেমনটা ছিল প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির বাড়ির পুজো

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 07:08 PM IST
পুরনো সেই পুজোর কথা, যেমনটা ছিল প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির বাড়ির পুজো
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 07:08 PM IST

#কালিয়াগঞ্জ: পুজোতে আলোর রোশনাই। সঙ্গে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ। বেশ কিছু নস্টালজিয়াও। পুজো মানে, ফেলে আসা কিছু স্মৃতি। পুজো মানে ফেলে আসা পুজোও। পুরনো সেই পুজোর কথা বলতে মনে আসে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির বাড়ির পুজো।

উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের দাশমুন্সী বাড়িকে কেন্দ্র করে সাজতো গোটা এলাকা। ভিভিআইপি এলাকা হয়ে উঠত শ্রীকলোনী পাড়া। শুধু শ্রীকলোনী নয়, গোটা কালিয়াগঞ্জবাসীর কাছে অন্যতম সেরা ছিল দাশমুন্সী বাড়ির পুজো। প্রিয়দার বাড়ির পুজো মানেই, মহো‍ৎসব।

বিরাট ঠাকুর দালান। সেখানেই দেবী আরাধনা। সেদিন প্রাণ ছিল দাশমুন্সী বাড়ির পুজোতে। পুজো ঘিরে ছিল উ‍ৎসব। কারণ স্ব-মহিমায় ছিলেন তিনি। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীকে ঘিরেই সম্পূর্ণ হত বৃত্তটা।

এই মণ্ডপেই মায়ের সামনে ঢাক বাজাতেন প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সী। এখানেই দীপা দাশমুন্সীর ঝুনুচি হাতে নাচ করতেন।

শ'য়ে শ'য়ে মানুষের যাতায়াত। শুধু জেলা নয়, রাজ্যের তাবড় নেতা-মন্ত্রী হাজির হতেন প্রিয়দার বাড়ির পুজোতে। জমজমাট থাকতো দাশমুন্সী ভিলা। কিন্তু, এখন সবই ইতিহাস। নেই সেই সময়ও।

২০০৮ পুজোর পর অসুস্থ হন প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সী। কালিয়াগঞ্জ থেকে চলে যান দিল্লি। আর ফেরেননি। সেখানেই ভরতি হাসপাতালে। দীপা দাশমুন্সী মাঝে মধ্যে আসতেন। কিন্তু প্রিয়রঞ্জনের অসুস্থতা ও নানা পারিবারিক কারণে এখন তিনিও আর আসেন না। ঠাকুর দালানে থমকে গেছে সময়। পড়ে রয়েছে ঠাকুরের কাঠামো। পরেনি মাটির প্রোলেপ। রয়েছে প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীর ছেড়ে যাওয়া চেয়ার। পুরনো সেই স্মৃতি নিয়ে নিঃসঙ্গ ঘরে একলা খেলা করে রোদ। খাঁ খঁা করছে দাশমুন্সী ভিলা।

Priyaranjan Dasmunsi Priyaranjan Dasmunsi

সম্প্রতি প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সীর দাদার মৃত্যু হয়েছে। এবছর ঘটে পুজো হবে দাশমুন্সীবাড়িতে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাশমুন্সী বাড়িতে পুজো মানেই এখন বিষাদের ছায়া আর মলিন স্মৃতি। তবু এখনও প্রতিবেশীরা আসেন। স্মৃতিতে ভিড় করে পুরনো ইতিহাস।

বাড়ি ছেড়েছেন শরিকরাও। ফাঁকা বাড়ির দায়িত্ব কেয়ারটেকরের হাতে। ঢাকের বাদ্যি আজ অতীত। কালিয়াগঞ্জের দাশমুন্সী বাড়িতে এখন সারা বছরই দশমীর বিষাদের ছায়া।

First published: 05:10:07 PM Sep 18, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर