পরণে ছাপা শাড়ি, মাথায় পক্ক কেশ, ছেলের গানে তবলায় তাল তুললেন খোদ বৃদ্ধা মা, ভিডিও ভাইরাল

পরণে ছাপা শাড়ি, মাথায় পক্ক কেশ, ছেলের গানে তবলায় তাল তুললেন খোদ বৃদ্ধা মা, ভিডিও ভাইরাল

Photo- Facebook/Video Grab

আমরা মনে করে থাকি সাধারণ মধ্যবিত্ত বাড়িতে মেয়েদের স্বপ্ন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপা পড়ে মারা যায়৷ কিন্তু এই ভদ্রমহিলার তবলা বাদনের ছন্দ যেন জীবনের ছন্দ৷

  • Share this:

    #কলকাতা : বড় কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছে দিন৷ চারদিকে তাকলে শুধুই এমন খবর যা মনকে ভারাক্রান্ত করে দেয়৷ কিন্তু এরমক দুঃসময়ে তো ভেঙে পড়লে চলবে না৷ এই কঠিন সময়ে কতটা ভালোভাবে লড়াই করতে পারে মানুষ তারওপরই নির্ভর করবে তাদের শক্ত মনের৷ তবে মনকে শক্ত রাখার পাশাপাশি আনন্দে রাখাটাও জরুরি৷

    এই মুহূ্র্তে করোনাকালে চারপাশে স্বাভাবিক ঘোরা-বেরানোয় কার্যত ফুলস্টপ পড়ে গেছে৷ এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া কেউই বেরোচ্ছেন না৷ বেঁচে থাকাটাই যেখানে বড় দায় সেখানে বিনোদন নৈব নৈব চ৷ কিন্তু এরকম করারও বোধহয় দরকার নেই৷

    পরিবারের সব সদস্যদের সঙ্গে এতখানি সময় কতদিন কাটাননি ভেবে দেখেছেন৷ তাই তাঁদের সঙ্গে আমোদ-আহ্লাদ -বিনোদনের ব্যবস্থা করে নিলেই হয়৷ অন্তত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মা-ছেলের জুটির ভিডিও দেখে তো সে কথা বলাই যায়৷

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মায়ের পরণে ছাপা শাড়ি, মাথায় কাঁচা -পাকা মেশানো চুল৷ ছেলের পরণে টি শার্ট৷ ঘরেতেই বসিয়েছেন গানের মজলিস৷ ভাবছেন মা -ছেলের গানের ভিডিও তো হামেশাই দেখেন ৷ কিন্তু এই ভিডিও একটু অন্যরকম৷ সাধারণত গানে মহিলাদের আধিপত্য ও যন্ত্রবাদনে পুরুষদের দাপটই দেখা যায়৷ কিন্তু এখানে পুরো বিষয়টি একেবারে আলাদা৷ এখানে মায়ের যুবা ছেলে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান গাইছেন অন্যদিক বৃদ্ধা পা তবলায় তাল তুলেছেন৷

    দেখে নিন Viral Video

    আসলে প্রতিভার কোনও বয়স হয়না, হয় না কোনও সীমা৷ যদি নিজের ক্ষমতাকে নিয়মিত মনের যত্নে লালন করেন তাহলে তা সবসময়েই সঙ্গে থাকে৷ আমরা মনে করে থাকি সাধারণ মধ্যবিত্ত বাড়িতে মেয়েদের স্বপ্ন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপা পড়ে মারা যায়৷ কিন্তু এই ভদ্রমহিলার তবলা বাদনের ছন্দ যেন জীবনের ছন্দ৷ তাঁর ছন্দে নাচছে জীবনের সুর-তাল -লয়৷ এই মা ও ছেলের সঙ্গীতের ভিডিও এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় সুপার ভাইরাল৷ ভিডিওটি ইতিমধ্যেই প্রায় ২ লক্ষ ভিউ হয়ে গেছে, শেয়ারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে আড়াই হাজার৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: