মা লক্ষ্মীকে প্রসন্ন রাখতে বাস্তুমতে রান্নাঘরে এই নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি, অন্যথায় দেখা দেবে অন্নাভাব

মা লক্ষ্মীকে প্রসন্ন রাখতে বাস্তুমতে রান্নাঘরে এই নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি, অন্যথায় দেখা দেবে অন্নাভাব, দারিদ্র্?

সাধারণ মানুষেরও দেবীকে প্রসন্ন রাখতে বাস্তুশাস্ত্রমতে রান্নাঘরের সম্পর্কে কয়েকটি নিয়ম অবশ্যই পালন করা উচিত।

  • Share this:

#কলকাতা: মা লক্ষ্মীর কোপে একদা স্বয়ং জগন্নাথ এবং বলরামও পড়েছিলেন দারুণ আতান্তরে। দেবী শূদ্রা শ্রিয়ার ঘরের ভোগ গ্রহণ করায় তাঁরা তাঁকে ত্যজ্য করেছিলেন। পরিণামে না খেয়ে তাঁদের দিন কাটে, শ্রীমন্দিরের পাকশালার গৌরব অন্তর্হিত হয় লহমায়! জগতের প্রতিপালকেরই যদি এ হেন দুর্ভোগ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষেরও দেবীকে প্রসন্ন রাখতে বাস্তুশাস্ত্রমতে রান্নাঘরের সম্পর্কে কয়েকটি নিয়ম অবশ্যই পালন করা উচিত।

১. রান্নাঘর বাড়ির সব চেয়ে পবিত্র অংশগুলোর মধ্যে একটি, এখানে পঞ্চভূতের সব উপাদান বিরাজ করে। এই কারণেই রান্নাঘর বাড়ির বাসিন্দাদের জীবনকে প্রভাবিতও করে থাকে সব চেয়ে বেশি।

২. অনেকে রান্নাঘরে দেব-দেবীর ছবি বা মূর্তি রাখেন। এটা উচিত নয়। রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা যদি বজায় রাখা না যায়, তাহলে সেই দেব-দেবী, বিশেষ করে লক্ষ্মী কুপিতা হন। ফলে সংসারে অশান্তি, অন্নাভাব এবং দারিদ্র্য দেখা দেয়।

৩. অনেকে রান্নাঘর কেবল রাতে শোওয়ার আগে পরিষ্কার করেন। কিন্তু এটিও করা উচিত নয়। কেন না, খাদ্যদাত্রী দেবী লক্ষ্মী অপরিচ্ছন্নতা কখনই সহ্য করতে পারেন না। তাই যখনই নোংরা হবে, সঙ্গে সঙ্গে রান্নাঘর পরিষ্কার করে নেওয়া কর্তব্য।

৪. রান্নাঘরে ফ্রিজ রাখা এবং তাতে অনেক দিন ধরে খাবার জমিয়ে রাখা উচিত নয়। বাসি খাবার বাড়িতে থাকলে তা পরিবারে শ্রীহীন দশা ডেকে নিয়ে আসে।

৫. শুধু বাস্তুই নয়, বিজ্ঞানসম্মত ভাবে দেখলেও বাসি খাবার থেকে অসুখ হয়, সারা বাড়িতে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে।

৬. কাঠের খুন্তি ব্যবহার না করাই ভালো, তাতে আগুন ধরে গেলে তা পরিবারের কর্তার পক্ষে অশুভ বলে বিবেচিত হয়।

৭. রুটি তৈরি হয়ে গেলে সব সময়ে বেলন ধুয়ে রাখা উচিত। এতে ব্যাকটেরিয়া থেকেও রেহাই পাওয়া যায়, পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে বলে দেবী লক্ষ্মীও প্রসন্ন থাকেন। অন্যথায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়।

৮. পরিচ্ছন্নতা এবং দেবী লক্ষ্মীর প্রসন্নতার দিকে দৃষ্টি রেখে রান্নার পাত্র এবং গ্যাসের বার্নারও রোজ পরিষ্কার রাখা উচিত।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: