Home /News /off-beat /
Thailand Influencer Arisara: তাড়াহুড়োর মাশুল! গলায় কাবাবের টুকরো বিঁধে শেষ হয়ে গেল মহিলার জীবন

Thailand Influencer Arisara: তাড়াহুড়োর মাশুল! গলায় কাবাবের টুকরো বিঁধে শেষ হয়ে গেল মহিলার জীবন

Thailand Influencer Arisara: একদিন খাওয়ার সময় হঠাৎই একটি ছোট মাংসের টুকরো তাঁর গলায় আটকে যায়। তার পরই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ডাক্তাররা সাধারণত খাওয়ার সময় ধীরে-সুস্থে চিবিয়ে খেতে বলেন। এর অন্যতম কারণ হল যাতে খাওয়ার সময় কোনও ভাবে খাদ্যবস্তু গলায় আটকে না যায়। তবে বেশিরভাগ মানুষই এইসব কথা কানে তোলেন না।

আজকের ব্যস্ততার জীবনে আমরা কোনও মতে দু’মুঠো খেয়ে যে যার কাজে বেরিয়ে পড়ি। এমন পরিস্থিতিতে সমস্যা হতে বাধ্য। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে এমনই এক ঘটনা ঘটেছে। তাড়াহুড়ো করে কাবাব খেতে গিয়ে গলায় আটকে প্রাণ হারান ওই ব্যক্তি।

আরও পড়ুন- সাদাও নয়, কালোও নয়, পৃথিবীর প্রাচীনতম রঙ শুনলে চমকে যাবেন, জানাচ্ছে গবেষণা

এই ঘটনা ঘটেছে থাইল্যান্ডের এক মহিলার সঙ্গে। যার কথা আমরা বলছি সেই ২৭ বছর বয়সী আরিসারা কার্দেচো (Arisara Kardecho) পেশায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং ইন্টারনেট সেনসেশন ছিলেন। এমনঘটনায় আচমকা তাঁর মৃত্যু অনেক মানুষকেই নাড়া দিয়ে গিয়েছে। অ্যালিস নামের জনপ্রিয় কসপ্লেয়ার আরিসরা এই ঘটনার পর মার্চ মাসে হাসপাতালে ভর্তি হন।

ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরিসারা কার্দেচোর ৫৭ বছর বয়সী মা জানিয়েছেন যে, হঠাৎই কিছুদিন আগে থেকে তিনি ঐতিহ্যবাহী থাই খাবার খাওয়ার অভ্যেস করছিলেন।

শুয়োরের মাংসের কাবাব এবং থাই ঐতিহ্যবাহী স্টিকি রাইস দিয়েই ডিনার সারতেন তিনি। একদিন খাওয়ার সময় হঠাৎই একটি ছোট মাংসের টুকরো তাঁর গলায় আটকে যায়। তার পরই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট।

ওই অবস্থায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা জানান, আরিসারা প্রায় ৯ মিনিট আগেই মারা গিয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে পৌঁছতে ৯ মিনিট দেরি হয়ে গিয়েছিল।

গলায় হাড়ের টুকরো আটকে যাওয়ায় সঠিক ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছিলেন না আরিসারা, ফলে তাঁর মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়।

২০১৫ সালে, মাত্র ৩ সপ্তাহে ৯ কেজি ওজন কমিয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিলেন আরিসারা। সে সময় একটি ডায়েট ফুড কোম্পানির মালিক তাঁকে ওজন কমানোর জন্য সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। বিনিময়ে তিনি লক্ষ টাকা দিতে রাজি ছিলেন।

আরও পড়ুন- বাড়িতে এই ঘটনাগুলো ঘটছে? বিশেষজ্ঞদের দাবি, আপনার বাড়িতে কোনও অতৃপ্ত আত্মা ঢুকেছে

আরিসারা শেষ পর্যন্ত ওজন কমাতে সমর্থ হলেও ওই কোম্পানির মালিক তাঁকে টাকা দেয়নি। আরিসারার মা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আজকের প্রজন্মের তরুণদের সতর্ক করেছেন যে তাঁরা যেন তাঁদের শরীরের যত্ন নেন।

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: Thailand

পরবর্তী খবর