পাঁচমিশালি

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দেখতে আসল, আদতে রোবট! নয়া স্ক্যুইডবট কী ভাবে কাজ করে সমুদ্রের তলায়, দেখুন ভিডিও!

দেখতে আসল, আদতে রোবট! নয়া স্ক্যুইডবট কী ভাবে কাজ করে সমুদ্রের তলায়, দেখুন ভিডিও!

খবর বলছে যে এই স্ক্যুইডবট প্রতি সেকেন্ডে ১৮-৩২ সেন্টিমিটার পাড়ি দিতে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এত দ্রুতগতির রোবট এর আগে তৈরি হয়নি।

  • Share this:

তা, পশুপাখিদের আদলে তো আর এই প্রথম কোনও যন্ত্র উদ্ভাবন করলেন না বিজ্ঞানীরা! বলাই তো হয় যে ড্রোনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল পাখিদের আকাশে উড়ানের আদলে। আবার বেশ কিছু বিজ্ঞানী এক সময়ে পিঁপড়েদের সারিবদ্ধ এবং সুশৃঙ্খল চলার গতির আদলে বেঁধে দিতে চেয়েছিলেন রোবট বা যন্ত্রমানবের যাতায়াত! বলতেই হয়, সেই লক্ষ্যেই এ বার নতুন সংযোজন স্ক্যুইডবট। আদতে এ এক মিশ্র শব্দ। সামুদ্রিক প্রাণী স্ক্যুইড আর রোবট- এই দুই শব্দ জুড়ে দেওয়ার ফলে নাম পেয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো কলেজের বিজ্ঞানীদের তৈরি এই নয়া রোবট। কেন এমন যন্ত্র উদ্ভাবনের প্রয়োজন হল, তা খুবই সহজে অনুমান করে নেওয়া যায়!

আসলে চাইলেও তো আর সমুদ্রের তলদেশে দীর্ঘ দীর্ঘ দিন পড়ে থেকে পরীক্ষা এবং নিরীক্ষা চালানো সম্ভব নয়। যতই যান্ত্রিক সমর্থন থাক না কেন, মানুষের ক্ষমতার তো একটা সীমা রয়েছে! তার উপরে রয়েছে আরেকটা অসুবিধেও। মানুষকে কাছাকাছি আসতে দেখলেই তো অনেক সামুদ্রিক প্রাণী দূরে সরে যেতে যাবে। প্রবালপ্রাচীরও ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষের স্পর্শে। এ ছাড়া রয়েছে বড় মাপের হিংস্র জলজন্তুর আক্রমণের ভয়টাও। গবেষকই যদি বেঘোরে প্রাণ হারান, তা হলে আর অজানাকে জানা সম্ভব হবে কেমনে! ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো কলেজের বিজ্ঞানীদের দাবি, এই সব সমস্যাই একসঙ্গে সামাল দেবে তাঁদের তৈরি স্ক্যুইডবট। একে দেখতে অনেকটাই আসল স্ক্যুইডের মতো, অতএব সমুদ্রের তলায় সে অবাধে ঘোরা-ফেরা করতে পারবে। কোনও কারণে খারাপ হয়ে গেলে বা কোনও বড় জলজন্তু গিলে ফেললেও টুক করে আরেকটা ছেড়ে দেওয়া যাবে জলে- তথ্যের লোকসান ছাড়া অন্য হ্যাপা পোহাতে রহবে না!

খবর বলছে যে এই স্ক্যুইডবট প্রতি সেকেন্ডে ১৮-৩২ সেন্টিমিটার পাড়ি দিতে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এত দ্রুতগতির রোবট এর আগে তৈরি হয়নি। যা একই সঙ্গে ছবি তুলে, ভিডিও করে সমুদ্রের তলার সব খবর পাঠিয়ে দেবে সমুদ্রের উপরে! এই জায়গায় এসে একটা প্রশ্ন ওঠে! যতই ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট হোক না কেন, আদতে তো সে যন্ত্র বই আর কিছু নয়। সমুদ্রের অফুরন্ত জলে সে ঠিকঠাক কাজ করবে তো? বিজ্ঞানীদের দাবি- এই সমস্যা মাথায় রেখে যন্ত্রে রাখা হয়েছে দুই পথ। এক দিয়ে জল ঢুকবে, অন্যটা দিয়ে বেরোবে। আর দুইয়ের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় দিব্যি জল সাঁতরে তার কাজ করে যাবে এ হেন স্ক্যুইডবট!

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 9, 2020, 10:31 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर