পাঁচমিশালি

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রযুক্তিতে নাসাকেও টেক্কা দিতে পারে,৫ বছর পূর্ণ করল ISRO অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি!

প্রযুক্তিতে নাসাকেও টেক্কা দিতে পারে,৫ বছর পূর্ণ করল ISRO অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি!

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-র সঙ্গে টেক্কা দেওয়ার মতো আর্থিক সঙ্গতি না থাকলেও প্রযুক্তিতে ভারত পাল্লা দিচ্ছে সমানে সমানে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি)।

  • Share this:

ভারতের প্রথম মাল্টি ওয়েভলেন্থ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি পাঁচ বছর পূর্ণ করল। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর উদ্যোগে ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু এই অবজারভেটরির। দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় এটি নিঃসন্দেহে একটি মাইল ফলক।

এখনও পর্যন্ত মহাকাশে ১১৬৬টি পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছে এই অবজারভেটরি থেকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের হিসেব বলছে এই পর্যবেক্ষণাগার থেকে ৮০০টি মহাজাগতিক পদার্থ চিহ্নিত করা গিয়েছে। এবং সেই কাজে লিপ্ত থেকেছেন ভারত ছাড়াও পৃথিবীর নানা দেশের মহাকাশবিজ্ঞানীরা। নক্ষত্র, নক্ষত্রপুঞ্জ, ছায়াপথ, বামন ছায়াপথ- এই সব নিয়েই চোখে দূরবীন লাগিয়ে দিন-রাত গবেষণা করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। ছায়াপথে কী ভাবে জন্ম নেয় নক্ষত্রেরা, উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে তাও দেখে ফেলেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে মাগেলানিক ক্লাউড। বিজ্ঞানীরা বলছেন নাসার থেকে নাকি তিনগুণ স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ইসরোর অবজারভেটরিতে।

পৃথিবীর থেকে ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে ঘটে যাওয়া মহাজাগতিক ঘটনার আঁচ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা অবজারভেটরির টেলিস্কোপে চোখ রেখে। সে টেলিস্কোপের নাম আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি)। এতে নিয়ার আলট্রা ভায়োলেট (কাছের অতিবেগুনি রশ্মি) এবং ফার আলট্রা ভায়োলেট (দূরের অতি বেগুনি রশ্মি) দুই ধরনের স্পেকট্রামই ধরা পড়ে।

আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি)-এর ওজন ২৩০ কিলোগ্রাম। আসলে এতে দু'টি টেলিস্কোপ থাকে। তার মধ্যে একটি কাজ করে দৃশ্যমান বস্তুকে দেখার জন্য। অন্যটি কাজ করে ফার আলট্রা ভায়োলেটের জন্য। আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি) প্রোজেক্টের দায়িত্বে রয়েছে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (আইআইএ)। সহযোগিতায় রয়েছে পুণের ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ, ইসরোর একাধিক সেন্টার এবং কানাডার স্পেস এজেন্সি।

আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি) সম্পর্কে ডিএসটি-র সেক্রেটারি আশুতোষ শর্মা বলেছেন যে, এটি শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারই নয়, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত নানা গবেষণাতেও এটি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে ক্রমশ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-র সঙ্গে টেক্কা দেওয়ার মতো আর্থিক সঙ্গতি না থাকলেও প্রযুক্তিতে ভারত পাল্লা দিচ্ছে সমানে সমানে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ এই আলট্রা ভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (ইউভিআইটি)।

Published by: Elina Datta
First published: September 29, 2020, 11:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर