Home /News /off-beat /
মানুষের শরীর নানা রহস্যে মোড়া, সপ্তক নির্ধারণ করে অনেক কিছুই

মানুষের শরীর নানা রহস্যে মোড়া, সপ্তক নির্ধারণ করে অনেক কিছুই

Every one has their own aura, know colours of seven chakras

Every one has their own aura, know colours of seven chakras

মানুষের আছে নিজস্ব আভা, জানুন শরীরের কোন চক্রে কোন রঙের জ্যোতি অবস্থান করে!

  • Share this:

#কলকাতা: গবেষকদের মতে মানুষের নিজস্ব জ্যোতি বা Aura আছে। বিশ্বের প্রতিটি বস্তুর মধ্যে নিজস্ব এনার্জি বা শক্তি রয়েছে, যেটাকে ভাইবস (Vibes) বলা হয়। তবে জ্যোতি ও ভাইবস এক নয়। দু'টি আলাদা আলাদা জিনিস। ভাইবস হল কোনও ব্যক্তির প্রভাব যা অন্যদের ওপর পড়ে, সেটা নেগেটিভ অথবা পজিটিভ হতে পারে। তবে জ্যোতি কিন্তু তা নয়, জ্যোতি হল সম্পূর্ণ নিজস্ব। এটি মানবদেহের সাতটি চক্র বা সপ্তকের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয়। পোর্টল্যান্ডের এক শিল্পী ক্রিস্টিনা লন্সডেল (Christina Lonsdale) বলেছেন "মানুষ হিসেবে, আমরা খুব কম মাত্রার জ্যোতি বিকিরণ করি যা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড নামে পরিচিত।" প্রাচীন চিকিৎসাব্যবস্থা বিশ্বাস করে সপ্তকের প্রতিটি স্তর মানব দেহের শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক দিকগুলিকে বিকশিত করে।

আলোচনা করা হল সপ্তকের সাতটি চক্র কী ভাবে প্রভাব ফেলে!

শারীরিক প্রভাব: মানবদেহে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এই চক্র সক্রিয় থাকে। এটি শারীরিক স্বচ্ছন্দতা ও স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পাঁচটি ইন্দ্রিয়কে প্রভাবিত করে।

নাক্ষত্রিক প্রভাব: এটি একটি সংবেদনশীল স্তর যা আমাদের নিজেকে ভালোবাসার শক্তি প্রদান করে।

লোয়ার মেন্টাল প্রভাব: এটি সাহায্য়ে নিজের মূল্যবোধ বোঝা যায়। এটি কোনও বিষয়ে ফোকাস করে লক্ষ্য পূরণের শক্তি প্রদান করে।

হায়ার মেন্টাল প্রভাব: এটি এমন একটি স্তর যা, অন্যান্য স্তরের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করে।

আধ্যাত্মিক প্রভাব: এই স্তর আধ্যাত্মিক উন্নতির কাজে আসে। এই স্তর নিজেকে আলোর বৃত্তে আনতে সাহায্য় করে।

স্বজ্ঞান: এই স্তরকে মানুষের তৃতীয় চোখের সঙ্গে তুলনা করা হয়। যা জ্ঞানচক্ষু নামেও পরিচিত।

চূড়ান্ত স্তর: জ্যোতির সাতটি স্তরের মধ্যে এটাই চূড়ান্ত স্তর, যা অন্য সবক'টি স্তরের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরি করে।

সপ্তকের সাতটি চক্রকে সাতটি রঙ দিয়ে ভাগ করা হয়েছে, প্রতিটি রঙের আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে।

লাল: সুপ্রতিষ্ঠিত, উদ্যমী ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির প্রতীক।

কমলা: দুঃসাহসিকতা, মনোযোগ ও সহানুভূতিশীলতার প্রতীক।

হলুদ: সৃজনশীলতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক।

সবুজ: সামাজিক, মধ্যস্থতাকারী ও প্রতিপালকের প্রতীক।

নীল: স্বজ্ঞান, আধ্যাত্মিক ও যুক্তিবাদীর প্রতীক।

তুঁতে: কৌতূহলী, অধ্যাত্মবাদী ও ভদ্রতার প্রতীক।

বেগুনি: জ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী, স্বাধীনতার প্রতীক।

এই রঙগুলি চক্রের বিভিন্ন স্তরে দেখতে পাওয়া যায়।

লাল রঙের জ্যোতি দেখা যায় মানবদেহের লেজের হাড় যেখানে থাকে।

কমলা রঙের জ্যোতি দেখা যায় মানবদেহের নাভির স্থান থেকে।

হলুদ রঙের জ্যোতি দেখা যায় পাঁজরের নিচের অংশ থেকে।

সবুজ রঙের জ্যোতি দেখা যায় বুকে বা তার চারপাশের অংশ থেকে এটি বিচ্ছুরিত হয়।

নীল রঙের জ্যোতি দেখা যায় গলার শেষ ভাগের অংশ থেকে।

তুঁতে রঙের জ্যোতি দেখা যায় কপালের কেন্দ্রবিন্দু থেকে।

বেগুনি রঙের জ্যোতি একেবারে মাথার শীর্ষে বিচ্ছুরিত হয়।

এই আভা, জ্যোতি বা অরা সাধারণ চোখে দেখা না-ও যেতে পারে, কিন্তু কিছু প্রচেষ্টার ফলে আধ্যাত্মিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারলে খালি চোখেও এই জ্যোতি অনুভব করা যেতে পারে।

Published by:Debalina Datta
First published:

পরবর্তী খবর