Milestones: রাস্তার পাশে সারি সারি নানা রঙের মাইলস্টোন, রঙবাহারের নেপথ্যের কারণটা জানেন কি?

Milestones: রাস্তার পাশে সারি সারি নানা রঙের মাইলস্টোন, রঙবাহারের নেপথ্যের কারণটা জানেন কি?

দেখতে একই রকম হলেও, রঙের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধরনের হয় এই মাইলস্টোনগুলি।

দেখতে একই রকম হলেও, রঙের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধরনের হয় এই মাইলস্টোনগুলি।

  • Share this:

#কলকাতাঃ মাইলস্টোন। অনেকে আবার মাইল ফলক বলেও ডাকেন। পথে বেরোলে নির্দিষ্ট দূরত্বে নজরে আসে পাথরের এই দূরত্ব নির্ণায়ক স্তম্ভগুলি। দেখতে একই রকম হলেও, রঙের ক্ষেত্রে ভিন্ন ধরনের হয় এই মাইলস্টোনগুলি। কোথাও সবুজ, কোথাও কমলা, কোথাও আবার সাদা রঙ। কিন্তু এই আলাদা আলাদা রঙের নেপথ্যের কারণটা কি জানেন? এবার এই বিষয়টিতে সবিস্তারে নজর দেওয়া যাক!

মাইলস্টোনের গায়ে কমলা দাগ

যদি কোনও মাইলস্টোনের গায়ে কমলা দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে গ্রামাঞ্চলের রাস্তা। অর্থাৎ গ্রামাঞ্চলের তথা প্রত্যন্ত এলাকায় কমলা রঙের মাইলস্টোন দেখা যায়। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (PMGSY) ও জওহর রোজগার যোজনার (Jawahar Rozgar Yojna) অধীনে প্রায় ৩.৯৩ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। আর এই রাস্তাতেই দেখা যায় কমলা রঙের মাইলস্টোন।

মাইলস্টোনের গায়ে হলুদ দাগ

হলুদ রঙের মাইলস্টোন জাতীয় সড়ককে চিহ্নিত করে। অর্থাৎ কোনও মাইলস্টোনে যদি হলুদ দাগ থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি জাতীয় সড়ক। একের পর এক নানা রাজ্য ও শহরের রাস্তা জুড়ছে এই জাতীয় সড়ক। ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১,৫১,০১৯ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে এই সুদীর্ঘ পথ।

মাইলস্টোনের গায়ে কালো বা নীল দাগ

অনেক ক্ষেত্রে রাস্তার পাশে এমন কিছু মাইলস্টোন দেখা যায়, যার গায়ে কালো, নীল বা সাদা দাগ টানা থাকে। এর অর্থ হল, এটি কোনও নির্দিষ্ট শহর বা জেলার রাস্তা। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে এই পর্যন্ত মোট ৫,৬১,৯৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ জেলার রাস্তা রাস্তা রয়েছে।

সবুজ মাইলস্টোন

রাজ্য সড়কগুলিতে সবুজ রঙের মাইলস্টোন দেখা যায়। এগুলি একটি রাজ্যের বিভিন্ন শহরের রাস্তাগুলিকে দিশা দেয়। ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১,৭৬,১৬৬ কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এই ধরনের মাইলস্টোন।

এগুলির পাশাপাশি রয়েছে জিরো মাইল সেন্টার (Zero Mile Centre)। ব্রিটিশ ভারতের সময় থেকে নাগপুরে জিরো মাইল সেন্টার রয়েছে। নাসিক ছাড়াও অন্যান্য বড় শহরগুলিতে গজ এককে দূরত্ব মাপতে রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই জিরো মাইল সেন্টার।

Published by:Shubhagata Dey
First published: