• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • #DurgaPuja: বিসর্জন হয় শুধু কলাবউয়ের, সারা বছর পুজো পান কালনার জয়দুর্গা

#DurgaPuja: বিসর্জন হয় শুধু কলাবউয়ের, সারা বছর পুজো পান কালনার জয়দুর্গা

একচালার সাবেকি বাংলা প্রতিমা জয়দুর্গার। বাঁশপাতার মতো টানা চোখ। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয় পাথরের মূর্তি।

একচালার সাবেকি বাংলা প্রতিমা জয়দুর্গার। বাঁশপাতার মতো টানা চোখ। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয় পাথরের মূর্তি।

একচালার সাবেকি বাংলা প্রতিমা জয়দুর্গার। বাঁশপাতার মতো টানা চোখ। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয় পাথরের মূর্তি।

  • Share this:

#কালনা: মেয়েরা থাকে মায়ের সঙ্গে। বিসর্জন হয় শুধু কলাবউয়ের। এ পুজোয় ঢাক বাজে না। চারশো বছর ধরে কালনার মুখোপাধ্যায় পরিবারে এভাবেই জয়দুর্গার পুজো হয়ে আসছে। এখানে দশমীর মায়ের বিসর্জন নেই। তাই মহাদশমীর পুজো হয় না কালনার জয়দুর্গার। তার বদলে দশমীতে শুরু হয় নিত্যপুজো। চলে বছরভর।

কালনা শহরের গঙ্গা তীরবর্তী এলাকা পাথুরিয়ামহল। সেখানেই মুখোপাধ্যায় পরিবারে চারশো বছর ধরে মাটির তৈরি জয়দুর্গার পুজো হয়ে আসছে। তারও আগে কালনার বালিবাজারে চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে এই জয়দুর্গার পুজো হতো।

তখন গঙ্গাতীরের বালিবাজার ছিল বাংলার অন্যতম বড় বানিজ্য বন্দর। সেখানের ব্যবসায়ী চট্টোপাধ্যায়রা জয়দুর্গার পুজো শুরু করেন। সেই বাড়িতে নিত্যপুজো করতেন পাথুরিয়ামহলের মুখোপাধ্যায়রা। আর্থিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পূজারি রামধন মুখোপাধ্যায়কে জয়দুর্গা প্রতিমা দিয়ে কালনা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় চট্টোপাধ্যায় পরিবার। রামধন মুখোপাধ্যায় পাথুরিয়ামহলের এই বাড়িতে জয়দুর্গা প্রতিমা নিয়ে এসে পুজো শুরু করেন। নিরবচ্ছিন্নভাবে নয় পুরুষ ধরে সেই পুজো চলে আসছে।

একচালার সাবেকি বাংলা প্রতিমা জয়দুর্গার। বাঁশপাতার মতো টানা চোখ। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয় পাথরের মূর্তি। আসলে পোশাক থেকে গয়না সবই মাটির। বারো বছর অন্তর প্রতিমার অঙ্গরাগ হয়। মা দুর্গার সঙ্গে লক্ষ্মী সরস্বতী থাকলেও কার্তিক গনেশ থাকে না। আগে ছাগ বলি হলেও ষাট বছর তা বন্ধ। বদলে আখ, চালকুমড়ো, শশা বলি হয়। পুজোয় ঢাক সহ আধুনিক বাজনার ব্যবহার নিষিদ্ধ। দশমীতে শুধু কলাবউয়ের বিসর্জন হয়। আগে বর্ধমানের মহারাজা এই পুজোর ব্যয় বহন করতো। রাজবাড়ি থেকে পুজোর ডালা আসতো। সে প্রথা আর নেই।এখন পুজো করেন পরিবারের সদস্যরাই।

পুজোর সময় আত্মীয় পরিজন ভরে ওঠে মুখোপাধ্যায় বাড়ি। কাজের প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে করেছেন পরিবারের সদস্যরা পুজোর চার দিন তারা বাড়ি ফিরে নিয়ম মেনে কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা করোনা পরিস্থিতিতে দূরের আত্মীয় পরিজন রা কিভাবে আসবেন তা নিয়ে চিন্তায় সকলেই।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: