Bhadrakali Jayanti 2021: একে শনিবার, তায় রেবতী নক্ষত্রের যোগ, জানুন কী ভাবে পুজো দিলে দেবী ভদ্রকালী পূর্ণ করবেন মনোকামনা!

Bhadrakali Jayanti 2021: একে শনিবার, তায় রেবতী নক্ষত্রের যোগ, জানুন কী ভাবে পূজা দিলে দেবী ভদ্রকালী পূর্ণ করবেন মনোকামনা!

মঙ্গলবার না হলেও শনিবার কালীপূজার জন্য বিখ্যাত, তার সঙ্গে রেবতী নক্ষত্রের যোগ আছেই! তাই দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে দেবীর আরাধনা করতে হবে!

  • Share this:

#কলকাতা: তন্ত্রে দেবী কালীর অসংখ্য রূপভেদ পাওয়া যায়। কিন্তু সর্বত্রই দেবী ভদ্রকালীর মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে যেন শতমুখে। এই মহাভীষণা, মহাসৌম্যা দেবীর রূপকল্প নিয়ে মতভেদ রয়েছে, মতভেদ রয়েছে তাঁর আবির্ভাবের সঠিক কারণ নিয়েও। তবে, দেবীর আবির্ভাব যে সর্বাঙ্গীণ মঙ্গলের দ্যোতক, তা যে অশুভদলনের নিমিত্ত, এই মর্মে কোনও সন্দেহ করা চলে না।

দেবী মাহাত্ম্য মতে রক্তবীজের সঙ্গে যুদ্ধে যখন দেবী কৌশিকী অস্থির হয়ে উঠেছিলেন, তখন তাঁর মুখমণ্ডল ক্রোধে আচ্ছন্ন হয়ে উঠেছিল। দেবীর সেই প্রায়ান্ধকার ভ্রুকুটি থেকে রণস্থলে উদ্ভূতা হয়েছিলেন দেবী ভদ্রকালী। তিনি রক্তবীজের শরীরের শোণিতের প্রতিটি বিন্দু পান করে নেন, পরিণামে কৌশিকীর অসুরবধে সুবিধা হয়। এই দেবীই চণ্ড এবং মুণ্ডকে বধ করায় তিনি চামুণ্ডা নামে প্রকীর্তিতা হন।

আবার, শিবপুরাণ, মহাভারত বলে যে প্রথমা পত্নী সতী পিতা দক্ষের যজ্ঞে আত্মাহূতি দিলে শিব বীরভদ্রকে পাঠিয়েছিলেন সেই যজ্ঞ ধ্বংস করতে। কিন্তু বীরভদ্রকে বিষ্ণু বন্দী করে রাখেন। অতঃ পর শিব জটা থেকে ক্রোধে এক কেশ মাটিতে নিক্ষেপ করলে আবির্ভূতা হন মহাউগ্রা দেবী ভদ্রকালী। তিনি দক্ষের যজ্ঞ ধ্বংস করে বীরভদ্রকে দক্ষের শিরশ্ছেদে সাহায্য করেছিলেন।

নীলমত পুরাণ, বিতস্তা মাহাত্ম্যের মতো শাক্তগ্রন্থে জ্যৈষ্ঠ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিকে দেবী ভদ্রকালীর আবির্ভাবের তিথি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে কারণে এই পুণ্য তিথি ভদ্রকালী জয়ন্তী নামেও সমধিক পরিচিত। শাস্ত্রমতে, এই ভদ্রকালী জয়ন্তী মঙ্গলবারে পড়লে এবং রেবতী নক্ষত্রযুক্ত হলে ভক্তের সর্ব মনোকামনা পূরণের সহায়ক হয়। এবার এই তিথি পড়েছে ৫ জুন, শনিবার। মঙ্গলবার না হলেও শনিবার কালীপূজার জন্য বিখ্যাত, তার সঙ্গে রেবতী নক্ষত্রের যোগ আছেই! তাই দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে দেবীর আরাধনা করতে হবে!

১. একাদশী তিথি আগামীকাল ভোর ৪টে ০৭ মিনিটের পরে শুরু হয়ে যাচ্ছে। তাই স্নান সেরে শুদ্ধবস্ত্র পরে নিতে হবে। ২. এর পর দেবীর মূর্তি বা ছবির পঞ্চামৃত অভিষেক অর্থাৎ জল, দুধ, দই, ঘি, মধু দিয়ে অভিষেক করতে হবে। ৩. এর পরে ষোড়শ শৃঙ্গারবস্তু নিবেদন করতে হবে। ৪. একে একে নিবেদন করতে হবে চন্দন এবং বিল্বপত্র। ৫. এই তিথিতে শ্রীশ্রীচণ্ডী পাঠ এবং শ্রবণ পুণ্য ফলদায়ক।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: