Akshaya Tritiya 2021: পুণ্য লগ্নে সোনা কিনলে তবেই গৃহে অক্ষয় হবে সম্পদ, দেখে নিন সময়সূচি

Akshaya Tritiya 2021: পুণ্য লগ্নে সোনা কিনলে তবেই গৃহে অক্ষয় হবে সম্পদ, দেখে নিন সময়সূচি!

পৃথিবীতে সৌভাগ্যের অধিকারী সে-ই হয়, যার গৃহ সর্বদা অর্থ এবং সম্পদে পরিপূর্ণ থাকে।

  • Share this:

বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিটি হিন্দু শাস্ত্র মতে অক্ষয় তৃতীয়া নামে পরিচিত। অক্ষয় শব্দটির অর্থ হল যা কখনও ফুরিয়ে যায় না বা বিনষ্ট হয় না। এই সূত্রে এই মহাপুণ্যময় তিথি অন্তহীন সৌভাগ্যের সূচক। আর কে না জানে, পৃথিবীতে সৌভাগ্যের অধিকারী সে-ই হয়, যার গৃহ সর্বদা অর্থ এবং সম্পদে পরিপূর্ণ থাকে।

অক্ষয় তৃতীয়ার সঙ্গে এই যে সম্পদের যোগসূত্র, বিশেষ করে সোনার অলঙ্কার বা তৈজস কেনার প্রচলন, তার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে একটি পৌরাণিক কাহিনি। পুরাণ আমাদের জানায় যে স্বর্ণলঙ্কার আদি অধিপতি ছিলেন ঋষি বিশ্রবার পুত্র কুবের। কিন্তু ভ্রাতা রাবণ ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে কুবেরের কাছ থেকে স্বর্ণলঙ্কা কেড়ে নেন। পরাজিত, হৃতশ্রী কুবের রাবণের ভয়ে পালিয়ে যান হিমালয় পর্বতে। সেখানেই একদিন বনাঞ্চলে ভ্রমণ করার সময়ে তিনি হরগৌরীর সাক্ষাৎ পান। গৌরীর রূপরাশি দেখে মনে কামভাব আসায় দেবীর কোপে তাঁর একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু কুবের ক্ষমাপ্রার্থনা করলে আশুতোষ ওই চোখটি সোনার করে দেন, সেই সঙ্গে কুবেরকে দান করেন জগতের স্বর্ণসম্পদ। এই ঘটনা ঘটেছিল বৈশাখের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে। তাই লোকবিশ্বাস, এই দিন সোনার কিছু কিনলে তা মঙ্গলদায়ক হবে।

কিন্তু অক্ষয় কী ভাবে হয়? এই প্রশ্নের উত্তরে আমাদের যেতে হবে মহাভারতের কাছে। যুধিষ্ঠির সূর্যের আরাধনা করে লাভ করেছিলেন এমন এক পাত্র, যার অন্ন দ্রৌপদীর খাওয়া না হওয়া পর্যন্ত ফুরাত না। একদা বৈশাখের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে দ্রৌপদীর খাওয়া হয়ে যাওয়ার পরে দুর্বাসা শিষ্যদের সঙ্গে পাণ্ডবদের আতিথ্য গ্রহণ করেন। দ্রৌপদীকে তখন লোকলজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন কৃষ্ণ, তিনি পাত্রে লেগে থাকা একটি ভাতের দানা মুখে দিয়ে জগতের সবার ক্ষুধা শান্ত করেন। এই ভাবে পাত্রের গুণ অক্ষয় হয়েছিল বলেই এই তিথি অক্ষয় তৃতীয়া নামে পরিচিত।

তবে এই তিথির বিশেষ পুণ্যলগ্নে সোনা কিনলে তবেই সম্পদ অক্ষয় হবে বলে শাস্ত্র জানায়। দেখে নেওয়া যাক শহরভিত্তিক সেই পুণ্যলগ্নের তালিকা:

নয়াদিল্লি- ভোর ৫টা ৩৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৮ মিনিট

মুম্বই- সকাল ৬টা ০৪ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট

চেন্নাই- ভোর ৫টা ৪৪ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ০৫ মিনিট

আহমেদাবাদ- ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিট

হায়দরাবাদ- ভোর ৫টা ৪৪ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১২ মিনিট

বেঙ্গালুরু- ভোর ৫টা ৫৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিট

কলকাতা- ভোর ৪টে ৫৬ মিনিট থেকে ১৫ মে সকাল ৭টা ৫৯ মিনিট

জয়পুর- ভোর ৫টা ৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ২৩ মিনিট

Published by:Ananya Chakraborty
First published: