• Home
  • »
  • News
  • »
  • off-beat
  • »
  • এই ৭ গাছ ঘরে থাকলে উপচে পড়বে সৌভাগ্য, টাকার অভাব হবে না কখনও

এই ৭ গাছ ঘরে থাকলে উপচে পড়বে সৌভাগ্য, টাকার অভাব হবে না কখনও

এই ৭ গাছ ঘরে থাকলে উপচে উঠবে সৌভাগ্য, অর্থের অভাব হবে না কখনও!

এই ৭ গাছ ঘরে থাকলে উপচে উঠবে সৌভাগ্য, অর্থের অভাব হবে না কখনও!

বাস্তুশাস্ত্রেও রয়েছে গাছের অমোঘ ভূমিকা। বাস্তুশাস্ত্র মতে কোন কোন গাছ ঘরে রাখলে তা আমাদের জীবন সৌভাগ্য এবং সম্পদে পূর্ণ করে, দেখে নিন একনজরে

  • Share this:

#কলকাতা: আমাদের জীবনযাপনে উদ্ভিদের একটি মহত্তর ভূমিকা তো আছেই! আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন বাতাসে সরবরাহ করে গাছ, দূষিত বাতাসকে করে তোলে পরিস্রুত। গাছের শ্যামলিমা মন ভালো রাখতেও সাহায্য করে। বাস্তুশাস্ত্রেও রয়েছে গাছের অমোঘ ভূমিকা। বাস্তুশাস্ত্র মতে কোন কোন গাছ ঘরে রাখলে তা আমাদের জীবন সৌভাগ্য এবং সম্পদে পূর্ণ করে, দেখে নিন একনজরে

বাঁশগাছ

বাঁশগাছের প্রতিটি গাঁট শক্তির অমোঘ উৎল। বাস্তুবিদদের মতে একটি পাত্রে সাদা নুড়ি, জল নিয়ে তার মধ্যে বাঁশের চারা স্থাপন করলে পরিবারে নেতিবাচক শক্তি প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।

মানি প্ল্যান্ট

এই গাছের নামের মধ্যেই রয়েছে অর্থাগমের যোগ, প্রাচীন কাল থেকে বহমান এই বিশ্বাস। বাস্তুশাস্ত্র মতে এই গাছের পাতা যত বেড়ে চলে, ততই তা পরিবারের পক্ষে মঙ্গলদায়ক বলে সাব্যস্ত হয়, গৃহে অর্থের অভাব কখনও হয় না।

রাবার প্ল্যান্ট

এই গাছের বড় পাতাও ধন এবং সৌভাগ্যবৃদ্ধির সহায়ক। বাস্তুবিদরা বলছেন যে বাড়িতে যেখানে টাকা রাখা হয়, তার কাছে এই গাছ রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

অর্কিড

উজ্জ্বল রঙ আর সুমিষ্ট গন্ধই শুধু নয়, এই ধরনের লতানে গাছ জীবনে উন্নতি এবং রোম্যান্সেরও প্রতীক। তাই পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি করতে চাইলে বাড়িতে এই গাছ রাখা উচিত।

ফিলোডেনড্রন

গ্রিক ভাষায় এ অর্থ প্রেমের গাছ। এর বড় পাতা ভালোাসা এবং স্নেহের প্রতীক। এই গাছ বাড়িতে থাকলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কখনও ভালোবাসার অভাব হয় না। এই গাছ স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।

স্নেক প্ল্যান্ট

এই গাছ পরিবারের সব নেতিবাচক শক্তি শোষণ করে নেয়। পরিবারের বয়স্ক সদস্যের মতো এই গাছ বাড়ির সর্বাঙ্গীণ মঙ্গলে ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।

জেড প্ল্যান্ট

পরিবারে সুখ এবং সম্পদ নিয়ে আসার ক্ষেত্রে জেড প্ল্যান্টেরও জুড়ি মেলা ভার। বাড়ির দরজার সামনে এটি রাখলে তা মঙ্গলময় শক্তিকে আকর্ষণ করে নিয়ে আসে।

Published by:Rukmini Mazumder
First published: