সুজাপুরে ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টায় বাংলাদেশ যোগ, গ্রেফতার বাংলাদেশি যুবক

সুজাপুরে ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টায় বাংলাদেশ যোগ, গ্রেফতার বাংলাদেশি যুবক
তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশি টাকা ও বাংলাদেশি বেশ কিছু নথি।

তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশি টাকা ও বাংলাদেশি বেশ কিছু নথি।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্ক লুটের চেষ্টায় বাংলাদেশি যোগ পেল পুলিশ। ঘটনায় জনতার হাতে ধৃত ব্যক্তি বাংলাদেশি যুবক বলে জানা গিয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশি টাকা ও বাংলাদেশি বেশ কিছু নথি। ধৃত মহম্মদ তারিক শেখ ওরফে শফিকুল ইসলাম(৪০)। ওই যুবক বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সাপাহার থানা এলাকার বাসিন্দা।

গতকাল শনিবার দুপুরে মালদহের কালিয়াচকের সুজাপুরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখা লুটের চেষ্টার ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে। ব্যাঙ্কের শাখায় এটিএম-এ টাকা ভরার জন্য গেলে ভেতর থেকে ব্যাঙ্কের গেট বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় ব্যাঙ্ক কর্মীদের। এরপর ঘটনা চাউর হতেই এলাকায় প্রচুর লোকজন জমে যায়। সেই সময় পালাতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশী যুবক। তাকে গণপিটুনি দেয় এলাকার লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে কালিয়াচক পুলিশ।ধৃতকে জেরা করে ব্যাঙ্ক লুটের গোটা পরিকল্পনা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর রবিবার তাকে মালদহ আদালতে তুলে হেফাজতে নিচ্ছে পুলিশ।কিন্তু, কীভাবে বাংলাদেশি দুষ্কৃতী ধরা পড়ল মালদহের সুজাপুরের  ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টায় ? আপাতত এই তথ্য পাওয়ার চেষ্টায় পুলিশ।

ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টার ঘটনার তদন্তে ব্যঙ্কের ভেতরে যেভাবে শীত কাটাতে কম্বল আর খিদে মেটাতে রকমারি খাবার পাওয়া গিয়েছে তাতে পুলিশের অনুমান রীতিমতো পরিকল্পনা করে পরপর দুদিন ছুটিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংক লুটের পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের। ঘটনায় একাধিক দুষ্কৃতী জড়িত থাকার সম্ভাবনাও স্পষ্ট। সম্ভবত এলাকার পথঘাট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হওয়াতেই পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় বাংলাদেশি এই দুষ্কৃতী। সরাসরি বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ করে সুজাপুরে ব্যাঙ্কে হানা দেওয়া কার্যত অসম্ভব। ফলে এই পরিকল্পনার পেছনে স্থানীয় যোগসুত্র থাকার সম্ভাবনাও প্রবল। বাংলাদেশি দুষ্কৃতীকে ব্যঙ্ক লুটের পরিকল্পনায় কাজে লাগানো হয় বলেও প্রাথমিক ধারণা পুলিশের।তবে শনিবার ধরা পড়ার পরেও রবিবার সকাল পর্যন্ত পুলিশি জেরায় কোন রকম মুখ খুলেনি ধৃত বাংলাদেশি যুবক। আপাতত হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা তৈরি করেছে পুলিশ।


Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: