corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা পরিস্থিতিতে রক্ত শূন্য ব্লাড ব্যাঙ্ক! ফেসবুক বার্তা’-য় এগিয়ে এলেন একদল যুবক-যুবতী

করোনা পরিস্থিতিতে রক্ত শূন্য ব্লাড ব্যাঙ্ক! ফেসবুক বার্তা’-য় এগিয়ে এলেন একদল যুবক-যুবতী

লকডাউনের মধ্যেই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে নজির গড়লেন এঁরা। করোনা পরিস্থিতিতে রক্তের হাহাকার মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

  • Share this:

#মালদহ: করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত রক্ত শূন্য মালদহ মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাঙ্ক। প্রায় কোনও গ্রুপেরই রক্ত নেই ব্লাড ব্যাঙ্কে। বাতিল হয়ে গিয়েছে একের পর এক রক্তদান শিবির। এই অবস্থায় ‘ফেসবুক বার্তা’-কে হাতিয়ার করে একত্রিত হলেন মালদহের একদল যুবক-যুবতী। নিজেরাই স্বেচ্ছায় এসে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দিলেন রক্ত।

লকডাউনের মধ্যেই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে নজির গড়লেন এঁরা। করোনা পরিস্থিতিতে রক্তের হাহাকার মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। শনিবার সকালে রক্তের যোগান কমে দাঁড়ায় মাত্র এক ইউনিটে। থ্যালাসেমিয়া রোগী, ডায়ালাইসিস রোগী, প্রসূতি থেকে মূমূর্ষ রোগীরা রক্ত সঙ্কটে চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন। জমায়েত নিষিদ্ধ হওয়ায় গোটা রাজ্যেই রক্তদান শিবির কার্যত বন্ধ। এই অবস্থায় স্বতঃস্ফূর্ত রক্তদান হল মালদহে।

নিজেদের মধ্যে ফেসবুক বার্তা দিয়ে একত্রিত হয়েছিলেন একদল যুবক-যুবতী। এরপর মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে একে একে দিলেন রক্ত। এদের মধ্যে অনেকেই আবার এই প্রথম রক্তদাতা। দেশ যখন করোনা যুদ্ধে লড়ছে তখন পরোক্ষভাবে হলেও যেন যুদ্ধে সৈনিকের ভূমিকা নিলেন তাঁরা। এই ভাবে সকলকে একত্রিত করার উদ্যোগ নেন মালদহে রক্তদান আন্দোলনের অন্যতম কর্মী আলমগীর খান।

মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দৈনিক প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ইউনিট রক্তের চাহিদা রয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে একাধিক অস্ত্রপচারের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এরপরেও চাহিদা রয়েছে দৈনিক অন্তত ৪০ ইউনিটের। মালদহ ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রোগীদের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, দুই দিনাজপুরেও রক্তের যোগান দিতে হয়। জেলায় থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যাও শতাধিক। যাঁদের নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন। রক্ত মজুদ না থাকায় রোগী ও পরিজনরা হন্যে হয়ে ঘুরছেন। এই পরিস্থিতিতে এই যুবক, যুবতীরা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন তাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন মালদহ মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ভাবে অন্যান্য রক্তদাতারাও সরাসরি মালদহ মেডিকেল কলেজে এলে অনেকের প্রান বাঁচবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরাও।

First published: March 28, 2020, 4:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर