উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কালিয়াচকের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন রাস্তা নয়, মালভূমি! যানজট, দুর্ঘটনা, দুর্ভোগ নিত্যসঙ্গী

কালিয়াচকের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন রাস্তা নয়, মালভূমি! যানজট, দুর্ঘটনা, দুর্ভোগ নিত্যসঙ্গী

২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল মালদহের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ করে চার লেন করার প্রকল্প। কিন্তু.বছরের পর বছর কাটলেও আজও শেষ হয়নি কাজ।

  • Share this:

Sebak DebSarma

#মালদহ: একই রাস্তা। কখনও জলকাদাময় খানাখন্দ, কখনও ভাঙাচোরা রাস্তায় যেন ধুলো ঝড়। এমনই বেহাল অবস্থা মালদহের সুজাপুর থেকে কালিয়াচক ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের। যানজট, দুর্ঘটনা, দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী। ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে বণিক মহল। এমনকি মালদহ থেকে ফরাক্কা ঘুরপথেও চলতে বাধ্য হচ্ছে অনেক যানবাহন। ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল মালদহের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ করে চার লেন করার প্রকল্প। কিন্তু.বছরের পর বছর কাটলেও আজও শেষ হয়নি কাজ।

উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সংযোগকারী রাস্তায় প্রতিপদে বিপদের হাতছানি। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় সুজাপুর থেকে কালিয়াচক পর্যন্ত এলাকা চলাচলের অযোগ্য। বেহাল এই আট কিলোমিটার পথ পেরোতে সময় লেগে যাচ্ছে দুই থেকে তিন ঘন্টা। পুরোনো যে রাস্তা রয়েছে তাতেও প্রায় কোথাওই পিচের প্রলেপ অবশিষ্ট নেই। রাস্তার মধ্যে দুই থেকে তিন ফুট পর্যন্ত গর্ত হয়ে রয়েছে।

প্রতিদিন এইসব পেরিয়েই টালমাটাল অবস্থায় গন্তব্যে ছুটছে হাজার হাজার যানবাহন। কোথাও রাস্তা এতটাই খারাপ যে মাঝে মধ্যেই একমুখী যানচলাচল করছে। ফলে দীর্ঘ হচ্ছে যানজট।  বৃষ্টি হলে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের খানাখন্দ জলে ভরে যাওয়ায়, কোথায় কতটা গর্ত তা বুঝতে না পারায় ঘটছে দুর্ঘটনা। আর বৃষ্টি না হলে, তখন ভাঙাচোরা রাস্তায় যেন ধুলো ঝড় উঠছে। শুধু জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার জন্যই দৈনিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য। এই পরিস্থিতিতে অনেক যানবাহন আবার মালদহ থেকে ফরাক্কার দিকে যেতে ঘুরপথে মোথাবাড়ির রাস্তা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।

অথচ, মালদহের গাজোল আর ১৬ মাইলে টোল গেট বসিয়ে চলছে টোল ট্যাক্স আদায়। রাস্তার কাজ না হওয়ায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল বয়কটের হুমকি দিয়েছেন জেলার ব্যবসায়ীরা। মালদহের কিছু এলাকায় জাতীয় সড়ক বেহাল বলে স্বীকার করেছেন, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের মালদহের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ডিরেক্টর দীনেশ হানসারিয়া। রাস্তার গর্তগুলি মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

Published by: Simli Raha
First published: June 26, 2020, 12:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर