• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • National Highway Number 10: বাংলা-সিকিম লাইফ লাইন এখন মারণ ফাঁদ, ধসে জেরবার ১০ নং জাতীয় সড়ক

National Highway Number 10: বাংলা-সিকিম লাইফ লাইন এখন মারণ ফাঁদ, ধসে জেরবার ১০ নং জাতীয় সড়ক

 একাধিক জায়গায় রাস্তাই নেই! পাহাড়ী ঝর্ণার জল বইছে! বড় বড় গর্ত। মারণ ফাঁদ হয়ে রয়েছে বাংলা-সিকিমের এই লাইফ লাইন।

একাধিক জায়গায় রাস্তাই নেই! পাহাড়ী ঝর্ণার জল বইছে! বড় বড় গর্ত। মারণ ফাঁদ হয়ে রয়েছে বাংলা-সিকিমের এই লাইফ লাইন।

একাধিক জায়গায় রাস্তাই নেই! পাহাড়ী ঝর্ণার জল বইছে! বড় বড় গর্ত। মারণ ফাঁদ হয়ে রয়েছে বাংলা-সিকিমের এই লাইফ লাইন।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: বাংলা-সিকিমের লাইফ লাইন ১০ নং জাতীয় সড়ক। কিন্তু বর্তমানে দেখে তা বোঝার উপায় নেই! একাধিক জায়গায় রাস্তাই নেই! পাহাড়ী ঝর্ণার জল বইছে! বড় বড় গর্ত। খানাখন্দে ভরা জাতীয় সড়ক। একাধীক জায়গায় ধসের জেরে জাতীয় সড়ক কার্যত বেহাল হয়ে পড়ছে। ঝুঁকি নিয়েই চলছে দুই রাজ্যের এই লাইফ লাইন। শিলিগুড়ির সঙ্গে কালিম্পংয়ের যোগাযোগেরও ভরসা এই জাতীয় সড়ক। কিন্তু এবারে সেবক থেকে রংপোর মধ্যে ৮ জায়গা ধসের জেরে বেহাল দশা। কোথাও বা একমুখী যান চলাচল করছে।

মূলত শ্বেতীঝোড়া, ২৯ মাইল, মল্লি ফাঁড়ির দু'পাশে, রংপো চেকপোস্টের ৫০ মিটার আগে ধসের জেরে ব্যপক ভেঙেছে জাতীয় সড়ক। ফি বছরেই ধসের জেরে এমন হাল হয়ে থাকে ১০ নং জাতীয় সড়কের। স্থায়ী কোনো সমাধান সূত্র বেরোয়নি। প্রতিবারই আশ্বাস মেলে বর্ষা থামলেই জাতীয় সড়কের হাল ফেরানো হবে।

কেন বার বার নামছে এই ধস? উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সুবীর সরকার জানান, একদিকে খরস্রোতা তিস্তা নদীতে জল বিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে। ভারী ভারী যন্ত্রাংশ নিয়ে এই পথ দিয়েই উঠছে লরি। নতুন করে সংযোজন হয়েছে সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেললাইন পাতার কাজ। রেললাইনের জন্যে টানেল তৈরী করা হচ্ছে। পাহাড় কেটে তৈরী করা হচ্ছে টানেল। এই দুইয়ের জেরে ক্রমেই ভেঙে পড়ছে ১০ নং জাতীয় সড়ক। আর তাই রেললাইনের কাজের বিষয়টি আবারও সমীক্ষা করার দাবী জানিয়েছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংস্থা। প্রকল্পের বিরোধীতা না করেও তাদের দাবী লাইফ লাইনকে বাঁচাতে হবে। একেই কোভিডের জেরে মার খেয়েছে পর্যটন। তারওপর জাতীয় সড়কের কঙ্কালসার অবস্থা পর্যটকদের কাছে ভালো বার্তা যাবে না বলে জানান ট্যুর অপারেটার সম্রাট সান্যাল।

জাতীয় সড়কের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প রুটের ভাবনা রয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে সেবক হয়ে গরুবাথান, লাভা, আলগাড়া, রেনক হয়ে সিকিম। অথবা আলগাড়া হয়ে কালিম্পং। সেক্ষেত্রে অনেকটাই ঘোরাপথ। প্রায় ২ ঘন্টা বেশী সময় লাগবে গন্তব্যে পৌঁছতে। সেবক থেকে গরুবাথান, লাভার রাস্তা এখন ঝাঁ চকচকে। পূর্ত দপ্তরের জাতীয় সড়ক দপ্তরের এক্সইকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র সুবোধ ছেত্রী জানান, বিকল্প পথ ব্যবহার করা যেতেই পারে এবং তা তৈরীও রয়েছে। কিন্তু প্রচুর সময় সাপেক্ষ। একেই কোভিডের জেরে পর্যটকের সংখ্যা কম। জ্বালানির খরচও বেড়েছে। পেট্রোল ইতিমধ্যেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। ডিজেল সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায়। ভাড়া বেশী চাইলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটকদের দূর্ভোগ বাড়বে। তাই লাইফ লাইন সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন কালিম্পং গাড়ি চালকদের সংগঠনের সভাপতি মহিন্দ্র গুরুং। কালিম্পংয়ের জেলাশাসকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ও পর্যটনমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও পাঠিয়েছে তারা। বেহাল জাতীয় সড়ক নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্তাদের নিয়ে বৈঠকের পর কালিম্পংয়ের জেলা শাসক আর বিমলা জানান, ফি বর্ষাতেই ধস নামছে। দ্রুত জাতীয় সড়ক সংস্কারের করে পুজোর আগে ফের এর হাল ফেরানো হবে।

Published by:Suman Majumder
First published: