কাঠ পাচার অব্যাহত ডুয়ার্সের জঙ্গলে, বন দফতরের ভূমিকায় প্রশ্ন

জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের নামে জঙ্গলে ঢুকে চলে গাছ কাটা। বনদফতরের কর্তার দাবি, পর্যাপ্ত মহিলা কর্মী না থাকায় সমস্যা বেড়েছে। জঙ্গলের গভীরে যেতেই ধরা পড়ে আরও ভয়ঙ্কর ছবি।

জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের নামে জঙ্গলে ঢুকে চলে গাছ কাটা। বনদফতরের কর্তার দাবি, পর্যাপ্ত মহিলা কর্মী না থাকায় সমস্যা বেড়েছে। জঙ্গলের গভীরে যেতেই ধরা পড়ে আরও ভয়ঙ্কর ছবি।

  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: কাঠ পাচার অব্যাহত ডুয়ার্সের জঙ্গলে। কয়েকদিন আগে নিউজ এইটিন বাংলায় কাঠপাচারের খবর সম্প্রচারিত হয়। খবরের পর দিনদুয়েক অভিযোন চললেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ধরা পড়ল একই ছবি। বন দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    এই ছবি ডুয়ার্সের জঙ্গলের। দিনের পর দিন জঙ্গলের গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে কাঠ মাফিয়ারা। কয়েকদিন আগে এই খবর দেখানো হয়েছিল নিউজ এইটিন বাংলায়। তারপরই নড়েচড়ে বসে বনদফতর। দিনদুয়েক জঙ্গলে ধরপাকড়ও চলে। তবে ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই যে কে সেই।

    জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের নামে জঙ্গলে ঢুকে চলে গাছ কাটা। বনদফতরের কর্তার দাবি, পর্যাপ্ত মহিলা কর্মী না থাকায় সমস্যা বেড়েছে। জঙ্গলের গভীরে যেতেই ধরা পড়ে আরও ভয়ঙ্কর ছবি। দিনের বেলাতেই মূল্যবান গাছ কাটা চলছে। সেই গাছ সাইকেল, গাড়ি করে পাচার করা হচ্ছে। বেআইনি ভাবে কাটা গাছ পাচার করা হয় হ্যামিলটনগঞ্জ, মাদারিহাট, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, লাটাগুড়িতে। সেখান থেকে চলে যায় অসম, ভুটান, কেরলে।

    জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে ঢোকার মূল রাস্তা মাদারিহাট। অভিযোগ, সেই মাদারিহাট রেঞ্জ ও জলদাপাড়া জাতীয় অরণ্য থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে চলছে চোরাই কাঠের ব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সব জানা সত্ত্বেও নির্বিকার বনদফতর। কর্মীদের একাংশও এই বেআইনি ব্যবসায় যুক্ত বলে অভিযোগ। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে যেভাবে জঙ্গল সাফ করা চলছে পরিবেশপ্রেমীদের আশঙ্কা, এতে সংকটে পড়বে বন্যপ্রাণ। নজরদারি না থাকায় চোরাশিকারীদের হাতেও মারা পড়তে পারে তারা।

    First published: