• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • পথশ্রী অভিযানে নতুন রাস্তায় তৈরির ১ সপ্তাহের মধ্যে ফাটল-গর্ত! বিক্ষোভ মালদহে

পথশ্রী অভিযানে নতুন রাস্তায় তৈরির ১ সপ্তাহের মধ্যে ফাটল-গর্ত! বিক্ষোভ মালদহে

এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে এক মাসের মধ্যে রাস্তার পুনর্নির্মাণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে এক মাসের মধ্যে রাস্তার পুনর্নির্মাণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে এক মাসের মধ্যে রাস্তার পুনর্নির্মাণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • Share this:

Sebak DebSarma

#মালদহ: পথশ্রী অভিযানে অত্যন্ত নিম্নমানের রাস্তার কাজের অভিযোগ। নতুন রাস্তা তৈরির এক সপ্তাহের মধ্যেই রাস্তায় ফাটল। ভেঙেচুরে যাচ্ছে নতুন রাস্তা। ঠিকাদারি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামলেন এলাকার মানুষ। দুপুরে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ, অবরোধ করেন মালদহের চাঁচোল-১ ব্লকের মহানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। অভিযোগ, স্বরূপগঞ্জ থেকে মল্লিকপাড়া যাওয়ার রাস্তা সপ্তাহ খানেক আগে তৈরি হয়। কিন্ত, ইতিমধ্যেই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে সমস্যায় পড়েছেন অন্তত আট থেকে দশটি গ্রামের মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার পিচের রাস্তার আস্তরন উঠে গিয়েছিল। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। শেষপর্যন্ত পথশ্রী প্রকল্পে কংক্রিটের ঢালাই রাস্তার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ হয় নয় লক্ষ টাকার বেশি।

কিন্তু, রাস্তা তৈরির সময় গুণমানের দিকে নজর দেওয়া হয়নি। রাস্তা চওড়া হয়েছে তুলনামূলকভাবে কম। আবার ঢালাইের গভীরতাও সরকারি নির্দেশের চেয়ে কম। এই অবস্থায় রাস্তা তৈরির এক সপ্তাহ পার হতে না হতে কোথাও ফাটল, কোথাও গর্ত দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদে আজ হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলনে নামেন বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা ধরে আন্দোলনের পর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেয় প্রশাসন। আন্দোলনকারীরা দাবি তুলেছেন, এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে এক মাসের মধ্যে রাস্তার পুনর্নির্মাণের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Published by:Simli Raha
First published: