উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাড়ছে সংক্রমণ, কমছে সাবধানতা, শহরবাসীকে সচেতন করতে শিলিগুড়ির রাস্তায় 'এই প্রজন্ম'

বাড়ছে সংক্রমণ, কমছে সাবধানতা, শহরবাসীকে সচেতন করতে শিলিগুড়ির রাস্তায় 'এই প্রজন্ম'

গতকালই শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ জন

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। কমছে সচেতনতা। যত দিন গড়াচ্ছে মুখ ও নাক থেকে সরছে মাস্ক। উধাও ফেস কভারও! দূরত্ব বিধি নিয়ে যতটা কম বলা যায়, ততই ভালো। চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ থেকে প্রশাসনিক কর্তারা বারংবার বলে আসছেন স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কথা। কিন্তু বাস্তবে উলটো চিত্র। আর তাই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গতকালই শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ জন। পাহাড় আর সমতলের চার গ্রামীন ব্লক জুড়লে সংখ্যাটা ১৩৯ জন। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পুরসভার প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য। সাধারন বাসিন্দারা সচেতন না হলে গ্রাফ নামার লক্ষন নেই। বলছেন চিকিৎসকেরা। বাড়ি থেকে বের হলে মাস্কের ব্যবহার করতেই হবে। কিন্তু পাড়ায় পাড়ায় আড্ডাতেও চোখে পড়ছে না মাস্ক। যা যথেষ্টই চিন্তার।

সামনেই কালী পুজা, ছট পুজা, কার্তিক পুজা। সরকারী গাইড লাইন মেনে উদ্যোক্তারা পুজা করবে ঠিকই, কিন্তু সাধারন মানুষেরা সতর্ক না হলে উপায় নেই। শিলিগুড়ি ভালো জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। অন্তত আক্রান্তের গ্রাফের পরিসংখ্যানে। উত্তরবঙ্গে শীর্ষে। এই অবস্থায় শহরবাসীকে সচেতন করতে আজ রাস্তায় নামলো "এই প্রজন্ম" নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শহরের বিধান মার্কেট, শেঠ শ্রীলাল মার্কেট, হংকং মার্কেট, তুলা পট্টি, ক্ষুদিরাম পল্লি এবং বিধান রোডে সচেতনতা র‍্যালী করে তারা। তাদের দাবী, মাস্ক মাস্ট। কোভিডকালে মাস্ক পড়তেই হবে। কালী পুজায় আক্রান্তদের কথা ভেবে বাজি, পটকা পোড়াবেন না। আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। সেইসঙ্গে প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পথ চলতি সাধারন মানুষ থেকে ব্যবসায়ীদের সচেতন করাই ছিল সংগঠনের লক্ষ্য। সংগঠনের পক্ষে অনির্বান দত্ত জানান, এদিন অনেকেরই মুখে মাস্ক নজরে আসেনি। তাদের হাতে মাস্ক তুলে দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে ৫০০ মাস্ক বিলি করা হয়। এর আগেও বিভিন্ন সংগঠন সচেতনতা প্রচার করে। তবু হুঁশ ফিরছে না শহরবাসীর একটা বড় অংশের। যারা অনেকেই উপস্বর্গ নিয়েই অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যা আগামী দিনে আরো বিপদ ডেকে আনবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

Published by: Ananya Chakraborty
First published: November 4, 2020, 6:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर